মৌমিতা চক্রবর্তী: মমতাদি গিয়েছে, বাংলায় এখন শুধুই বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে আজ বাংলা ভাজপা-ময়। 'লোকতন্ত্র বাঁচাও ও অরাজকতা হঠাও' মহামিছিল শেষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওই মন্তব্য করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন।
বিজেপি সভাপতি বলেন, ৪ মে তারিখেই বাংলায় অরাজকতা শেষ করে দেওয়া হয়েছে। মমতা দিদি গ্যায়ি আর গোটা বাংলা ভাজপাময় হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তার পরেও কিছু লোক এখনও রয়ে গিয়েছে। এরা গতকাল রামলীলা ময়দান গিয়েছিল। সেখান থেকে তারা হতাশ হয়ে ফিরেছে। যেভাবে বাংলার মানুষ ওদের জাবাব দিয়েছে, সেভাবেই ওদের দেশের মানুষ জবাব দেবে।
সোমবার বিকেলে বিজেপির গণতন্ত্র বাঁচাও মিছিলে মানুষ ঢল নামে। কলেজস্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলে হাঁটেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য-সহ দলের শীর্ষ নেতারা। দিল্লিতে বিরোধীদের সমাবেশের পাল্টা দিতে রাস্তায় নামেন হাজার হাজার বিজেপি সমর্থক।
নিতিন নবীন বলেন,বাংলায় তৃণমূল সাফ হয়ে গিয়েছে। এবার উত্তর প্রদেশে আগের মত অখিলেশকেও মুছে ফেলা হবে। গোটা দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চাইছে কিছু লোক। তাদের প্রধান রাহুল গান্ধী। ২০১৯ এ মোদিজির সঙ্কল্পকে সিদ্ধিতে রুপান্তরিত হয়েছে। গরিব মানুষ ২৫ কোটির বেশি মোদিজির বিকাশ নীতির জন্য দারিদ্রসীমার বাইরে নিয়ে যেতে পেরেছে। নিজেদের ব্যর্থতা থেকে শিখুন রাহুল। নয়ত আগামী দিনে কংগ্রেস এর নাম নেওয়ার কেউ থাকবে না। আপনার নিজের দলে কেউ আছে গণতন্ত্রের? অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছেন। জনগণ যখন আপনাকে না বলে দিয়েছে তখন মানতে পারছেন না। বিদেশি শক্তির টুল কিট হিসাবে কাজ করছেন। বাংলাদেশ এর অস্থিরতা তৈরির জন্য যারা দায়ী তাদের প্রতি রাহুলজির সমবেদনা রয়েছে। বাংলাদেশ ও নেপালকে যারা অস্থির করার কাজ করেছে রাহুল তাদের টুল কিট হিসাবে ভারতেও তাই করতে চাইছেন।
রবিবার দিল্লিতে বিরোধীদের মধ্যমণি ছিলেন রাহুল গান্ধী। কলকাতায় নিতিন নবীন ও হায়দরাবাদে তাকেই নিশানা করলেন বিজেপি নেতৃত্ব। নিতিন নবীন বলেন, রাহুল গান্ধী অসামাজিক শক্তির সঙ্গে কাজ করতে চায়। এস আই আরের জন্য যদি হারতেন তাহলে কেরলে কীভাবে জিতলেন? কর্নাটকে,হিমাচলে জিতলে সব ঠিক। অন্য জায়গায় হারলে কমিশন দোষী। ১৩ কোটি মৃত শিফট হয়ে যাওয়া, অনুপ্রবেশকারীদের ভরসায় আপনি ভোট জিততে চান? আমরা অনুপ্রবেশকারীদের হটাবই। রাহুলজির সহযোগীরাও একথা জানেন।
বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, কংগ্রেসের উপর করুণা হয়। যতবার কং মোদিজীকে অপমান করছেন ততবার মানুষ মোদিজিকে ভালবাসায় ভরিয়েছেন। এই রাজ্যের সব মানুষকে আমি ধন্যবাদ জানাই। এই রাজ্যে রামরাজ্য হয়েছে। সত্যিকারের স্বাধীনতা এসেছে। মা বোনদের আশ্বাস দিচ্ছি, আমাদের সব কার্যকর্তা আপনাদের সেবায় কাজ করবে। দেশে মোদিজি ফের আসবেন। ২০২৯ এ মোদিজি ফিরসে আয়েঙ্গে। লালকেল্লাতে মোদিজিকে তিরঙ্গা নিয়ে আবার দেখবেন।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)