রক্তিমা দাস: পুজো মিটতে এবার রাজ্য়ে পুরভোটের প্রস্তুতি। কিন্তু প্রথম সর্বদল বৈঠকেই বিতর্ক। ডিএম অনুপস্থিত, বৈঠক ছেড়ে গেলেন এডিএমও!
ডিমিলিটেশন থেকে ভোটার তালিকা, একযোগে সরব মমতা তৃণমূল, কংগ্রেস ও সিপিএম।
কলকাতা পুরসভার এখন প্রশাসক। আর হাওড়া পুরসভায় তো দীর্ঘদিন ভোটই হয়নি। আগামী মাসে এই দুটো পুরসভায় ভোট নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হতে পারে খবর। আজ, মঙ্গলবার প্রথম সর্বদল বৈঠক ছিল আলিপুরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসকের দফতরে। জেলাশাসকের নেতৃত্বেই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল।
পুরভোট নিয়ে সর্বদল বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন মমতা তৃণমূল, কংগ্রেস ও সিপিএমের প্রতিনিধিরা। তাঁদের অভিযোগ, বৈঠকে ছিলেনই না ডিএম। এডিএম থাকলেও মাঝপথে বৈঠক ছেড়ে চলে যান। কোনও কথাই শোনেননি। সর্বদল বৈঠক ডিলিমিটেশন ও ভোটার তালিকা ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিরোধীরা। ২০২৪ সালে ভোটার তালিকায় পুরভোট করানোর দাবি তোলেন তাঁরা। ভোট দেখা গেল ঋত তৃণমূলকে।
বৈঠক শেষে মমতা তৃণমূলের নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, 'আমরা জানতে চাইছি, সব বৈধ ভোটাররা ভোট দিতে পারবে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। কোনও কথারই উত্তর দিতে পারলেন না। আমরা বললাম, ট্রাইব্য়ুনালে যদি ৩ হাজার ভোটারকে এখনও পর্যন্ত অনুমোদন দিয়ে থাকে, ৩ হাজার লোকই ভোটাধিকার পেয়েছে। তার মানে জোর করে ১ লক্ষ ১৭ হাজার লোকের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল বিধানসভা নির্বাচনে'। তাঁর দাবি, 'সেই বিধানসভা নির্বাচনের লিস্টে ভোট করার কথা বলছে। আমরা বলেছি, ২০২৪ সালে ভোটার লিস্টে কলকাতা পুরসভার ভোট হোক'।
সর্বদল বৈঠকে কংগ্রেসের তরফে ছিলেন আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'শুধু ড্রাফ্ট লিস্টে, বুথ লিস্ট ধরানোর জন্য আমাদের ডেকেছে। কথা শোনার জন্য় ডাকেনি। মানুষ ভোট দিতে পারবেন না। তা সত্ত্বেও ভোট করাতে হবে, এই প্রবণতাটা পরিষ্কারভাবে বোঝা গেল'। তাঁর স্পষ্ট কথা,
এই নথি দেওয়া আর না দেওয়া সমান। কারণ সবকিছু চটজলদি করতে হবে। এই চটজলদি সরকারের চটজলদি প্রবণতা, চটজলদি দখল, এর বিরোধিতা আমরা করছি'।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X, Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)