কমলাক্ষ ভট্টাচার্য: গ্রামাঞ্চলের উন্নয়নমূলক কাজ ও পরিকাঠামো তৈরি গতি আনতে বদ্ধপরিকর সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর স্পষ্ট বার্তা, 'পঞ্চায়েতের বিভিন্ন উন্নয়ন ও নির্মাণকাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্মাণ সহায়করা যদি নিজেদের কাজে অবহেলা করেন বা ঠিকমতো দায়িত্ব পালন না করেন, তবে তাঁদের বেতন বন্ধ করে দেওয়া হবে'।
বদলের বাংলায় নজরে পঞ্চায়েত। রাজ্য়ের সমস্ত জেলাশাসক, বিডিও ও পঞ্চায়েত দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কবে? আজ, বুধবার। বৈঠকে ছিলেন দফতরের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষও। বৈঠকে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও কাজের গতি বাড়ানো প্রশ্নে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন মুখ্য়মন্ত্রী। বলেন, 'রাজ্যে ১২ হাজার কোটি টাকার কাজে মোট ২২ কোটি শ্রম দিবস সৃষ্টি হবে। শুধু তাই নয়, পঞ্চায়েত দফতরে ৭১৯০ জন স্থায়ী ও ১০০০ অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করা হবে'।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, 'ভিবি-জি রামজিকে সফল করার জন্য আইন বদল করা হয়েছে। এর আগে মনরেগায় যারা জব কার্ডধারী ছিলেন তাদের আধার কেওয়াইসি লিঙ্ক করতে গিয়ে ৩১ লক্ষ ভুয়ো জবকার্ড হোল্ডারের নাম বাতিল হয়েছে'। তাঁর কথায়, 'এরা মনরেগায় কার্ড হোল্ডার ছিলেন এবং টাকাও তুলে নিয়েছেন। নতুন কার্ড দেওয়ার জন্য একটা ধন্দ ছিল। তাও নিরসন করা হয়েছে। ভিবি-জি রামজিতে প্রায় ১০ লাখ জব কার্ড নিয়েছেন মানুষজন। এর ফলে একটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে। আমরা ভারত সরকারের দেওয়া টার্গেট অর্থাত্ ২২ কোটির ম্যান ডেজ ও ১২ হাজার কোটি টাকার কাজ দুটোই করতে পারব। ওই ১২ হাজার কোটি টাকার মধ্যে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার মতো দিচ্ছে কেন্দ্র। আর রাজ্য সরকার দিচ্ছে ৫ হাজার কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই ভারত সরকার ১২০০ কোটি টাকা দিয়ে দিয়েছে'।
মুখ্যমন্ত্রীর আরও বক্তব্য, 'বেশিদিন হল আমরা ক্ষমতায় অসিনি। অনেক অনিয়ম, বেনিয়ম, পঞ্চায়েত ব্যবস্থার অসহযোগিতা হয়েছে। কারণ বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচন রাজ্য হয়নি। ভোট লুট হয়েছে। আমাদের বিপরীত মতাদর্শের লোকেরা আটানব্বই শতাংশ পঞ্চায়েতে ছিলেন। এই কাজ কার্যকর করার ক্ষেত্রে পঞ্চায়েতগুলির বড় ভূমিকা রয়েছে'।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)