কালীপুজো, ছট ও জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক, নবান্নে বাড়তি তৎপরতা
পুজোর পর নবান্নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন শিল্পনীতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি, বিজেপির সংকল্পপত্রে ঘোষিত প্রতিশ্রুতি ও প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী।
কমলাক্ষ ভট্টাচার্য: শিল্পনীতি নিয়ে পুজোর নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর। পুজো শেষ হয়েছে, এখন প্রশাসনে গতি আনতে চাইছে রাজ্য সরকার। এদিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একাধিক বৈঠক করবেন। শিল্পনীতি নিয়ে আলোচনা হবে, বিজেপির সংকল্পপত্রের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হবে এবং উৎসবগুলির প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হবে।
নতুন শিল্পনীতি নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হবে?
পুজো শেষ হয়েছে এবং আজ রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক হবে। এই বৈঠকে নতুন শিল্পনীতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হতে পারে। বিশেষ মন্ত্রীগোষ্ঠী এই নীতির খসড়া জমা দিয়েছে। এই নীতির লক্ষ্য হচ্ছে শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান তৈরি করা। কী কী প্রস্তাব রয়েছে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হবে সেই বিষয়ে নজর রাখা হবে।
সংকল্পপত্রের প্রতিশ্রুতি কতটা পূরণ হয়েছে?
আরও পড়ুন, 'গত ৬ মাসে যা দেখছেন তা সকালের চা-বিস্কুট, এখনও ব্রেকফাস্ট হয়নি, লাঞ্চও বাকী': মুখ্যমন্ত্রী
একই সঙ্গে বিজেপির সংকল্পপত্রে ঘোষিত প্রতিশ্রুতি ও প্রকল্পগুলি কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা হবে। প্রশাসন এই বিষয়ে খুবই মনোযোগ দিচ্ছে। কোন দফতর কতটা কাজ করেছে, কোন প্রকল্প কতদূর এগিয়েছে এবং বাকি কাজ কীভাবে দ্রুত শেষ করা যায় সেই বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
কালীপুজো, ছটপুজো ও জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রস্তুতি
বিকেল ৪টার দিকে নবান্নে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হবে। কালীপুজো, ছটপুজো ও জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষভাবে বারাসত ও নৈহাটির কালীপুজো এবং কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজো নজরে রাখা হবে। এই উৎসবগুলিতে অনেক মানুষ সমাগম হয়। ফলে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচল, পুজোমণ্ডপের নিরাপত্তা এবং দর্শনার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
চোরবাগানের দুর্ঘটনার পর বাড়তি সতর্কতা
চোরবাগানের পুজোমণ্ডপে দুর্ঘটনার পর পুজোর নিরাপত্তা নিয়ে আরও সতর্ক হয়েছে প্রশাসন। এখন আসন্ন উৎসবগুলিতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটার জন্য আগাম প্রস্তুতি ও সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। ভিড় নিয়ন্ত্রণ, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধারকাজ, দর্শনার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত এবং প্রয়োজনীয় নজরদারি এই বিষয়গুলিতে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। সব মিলিয়ে, আজ নবান্নের বৈঠকগুলিতে শিল্প ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের একটি অগ্রাধিকার হতে চলেছে।
আরও পড়ুন, 'আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই', এনকাউন্টারে পুলিসের 'ঢাল' মুখ্যমন্ত্রী
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)