জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: দুর্গাপুজোয় পাস কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বললেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ইন্দ্রনীল সেন একে অপরের পরিপূরক ছিল। একা ইন্দ্রনীল সেন খেয়েছে, বলা অত্যন্ত ভুল হবে'। সঙ্গে হুঁশিয়ারি, 'ঠিক সময়ে বড় জায়গাতেও হাত পড়বে, অপেক্ষা করুন। প্রাতিষ্ঠানিক চোরেদের সব জেলে যেতে হবে'।
আজ, বুধবার দুর্গাপুজোয় পাস কেলেঙ্কারিতে সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে হাজিরা দেন ইন্দ্রনীল। বাইরে তখন মোতায়েন ছিল পুলিস। সিজিও থেকে বেরোতেই গ্রেফতার প্রাক্তন মন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'ওঁর বিরুদ্ধে তদন্ত অনেক দিন ধরেই চলেছে। তদন্তকারী সংস্থা একদিকে ইডি, একদিকে কলকাতা পুলিস। তাঁরা নিশ্চিতভাবে তথ্য়-প্রমাণ পেয়েছে। তথ্য-প্রমাণ পাওয়ার মধ্য দিয়ে আইনগত কাজ করেছে। আমার বলার কিছু নেই'।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বক্তব্য, 'আমি বহু রাজনৈতিক সভাতে বলেছি, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রত্যক্ষ মদতে হয়েছে, ওঁর তো ভাগ থেকে থাকতে পারে। একা তো খায়নি। ওঁর(মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়) সঙ্গে একই গাড়িতে (ইন্দ্রনীল সেন) ঘুরে বেড়াতেন, একসঙ্গে গাই করতেন। শেষ গানটাও আমরা শুনেছি, দু'জন একসঙ্গে ডুয়েট করেছেন। আমার যাওয়ার সময় হল, দাও বিদায়...’।
মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষ, 'সিপিএমের Blue eyed Boy ছিলেন। নাম বলব না, প্রয়াত একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মেয়ের এনজিও ছিল। সেই এনজিও-র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এরা সময়ে সময়ে জলের যেমন আকার ধারণ করে, সেই আকার ধারণ করে। এবারে বিজেপি তো দরজা বন্ধ। সরকার পরিবর্তনের পর একটু-আধটু পছন্দ করতে শুরু করেছিলেন, সরকার ভালো কাজ করছে টরছে। বিজেপি অন্যরকম। বিজেপিতে থেকে ওসব হবে না। যা হওয়ার তাই হয়েছে'।
বিগত তৃণমূল আমলে চন্দননগরের বিধায়ক ছিলেন ইন্দ্রনীল। ছাব্বিশে বিজেপির দীপাঞ্জন গুহের কাছে হেরে যান দু'বারের বিধায়ক। তাঁর গ্রেফতারিতে চন্দননগরে উত্সবে মেজাজ। সন্ধ্যায় চন্দননগর জ্যোতির মোড়ে খুশির লাড্ডুবিলি করেন বিজেপি কর্মীরা। বাজিও পোড়ানো হয়।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X, Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)