SOCIAL MEDIA

Newsletter

PARTNER SITES
Select Language Select State

নিশ্চিন্তে ভোগ খান এই মন্দিরে, ১১৪-র মধ্যে পেল ১০৩ পয়েন্ট! 'অতি বিশিষ্ট' রেটিং দিল FSSAI

চোখ বন্ধ করে নিশ্চিন্তে এবং নির্দ্বিধায় ভোগ খেতে পারেন অযোধ্যার রাম মন্দিরে। কারণ FSSAI দিল ১১৪-তে ১০৩ পয়েন্ট। এল 'অতি বিশিষ্ট' রেটিং

Written By Subhapam Saha
Published: Oct 11, 2026, 05:37 PM IST | Updated: Oct 11, 2026, 05:56 PM IST
Join

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বর্তমানে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় এবং সর্বাধিক পরিদর্শিত ধর্মীয় স্থানগুলির একটি অযোধ্যার রাম মন্দির। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার পর থেকেই এখানে ব্যাপক ভক্তসমাগম হয়। প্রতিদিন গড়ে ১০০০০ থেকে ১৫০০০০ মানুষ বিনামূল্যে প্রসাদ বা ভোগ গ্রহণ করেন। ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া এই মন্দিরেও অভিযান চালিয়েছিল খাবারের মান পরীক্ষা করতে। FSSAI জানিয়ে দিল যে, এখানকার ভোগ খাওয়া যেতে পারে চোখ বন্ধ করে নির্দ্বিধায় এবং নিশ্চিন্তে। FSSAI রাম মন্দিরের ভোগকে সর্বোচ্চ 'অতি বিশিষ্ট' রেটিং দিয়েছে। এই মূল্যায়নে মন্দিরের ১১৪-এর মধ্যে ১০৩ পয়েন্ট পেয়েছে। এই মূল্যায়নের আওতায় রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা, খাদ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা এবং যেখানে খাবার পরিবেশন করা হয়—এমন স্থান-সহ মোট ৪৭টি খাদ্য নিরাপত্তা মানদণ্ড বিবেচনা করা হয়েছে। এছাড়া মন্দিরে যাঁরা খাদ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁদের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণের বিষয়টিও এই প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আরও পড়ুন: এখানে মানত করলে দেবী ফেরান না! দূর দূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করেন লালবাথানি গ্রামের দুর্গাপুজোয়

মন্দিরের সনদ কার্যকর দু'বছর

FSSAI-এর সিইও রজত পুন্হানি এক অনুষ্ঠানে রাম মন্দিরকে এই সনদপত্র দিয়েছেন। ওই অনুষ্ঠানে ইউপিএফএসডিএ-র আধিকারিক এবং মন্দির ট্রাস্টের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পুন্হানি বলেন, 'প্রসাদ কেবল খাদ্য নয়; এটি বিশ্বাস ও মর্যাদার প্রতীক। ভক্তরা যাতে নিরাপদ ও মানসম্মত প্রসাদ পান, তা নিশ্চিত করা আমাদের সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব।' ত্তরপ্রদেশের ফুড সেফটি অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের বিশেষ সচিব এবং অতিরিক্ত কমিশনার রেখা চৌহান বলেন, 'এই কর্মসূচি বৃহত্তর ইট রাইট অভিযানেরই একটি অংশ। যার মাধ্যমে স্কুল, কলেজ এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতেও নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের প্রচার চালানো হয়।' রাম মন্দিরের এই সনদপত্রটি দুই বছরের জন্য কার্যকর থাকবে। এই সময়কালে, মন্দিরটি প্রয়োজনীয় মানদণ্ড বজায় রাখছে কি না, তা যাচাই করতে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ নিয়মিত পরিদর্শন ও নিরীক্ষা চালাবে। এছাড়া নিয়মকানুন যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না তা তদারকি করতে মন্দির ট্রাস্ট একটি নির্ধারিত চেকলিস্ট ব্যবহার করে অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনাও করবে।  রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক গোবিন্দ দেব গিরি বলেন, প্রসাদের পবিত্রতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মন্দিরে নিবেদিত খাদ্যের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য রয়েছে। এক সর্বভারতীয় মিডিয়ায় তিনি বলেন, 'পরিচ্ছন্নতাই দৈবত্বের সমতুল্য!'

কোন ক্য়াটেগরির কী পয়েন্ট

অযোধ্যার আরও পাঁচটি উপাসনালয়—যার মধ্যে রয়েছে হনুমানগড়ি, কনক ভবন, একটি জৈন মন্দির এবং দেবকালী মন্দির—এই সনদ পেয়েছেটি মানদণ্ড সম্বলিত একটি চেকলিস্টের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটিকে মূল্যায়ন করা হয়, যেখানে সর্বোচ্চ স্কোর হতে পারে ১১৪। যেসব উপাসনালয় ১০০ থেকে ১১৪-এর মধ্যে স্কোর করে, তারা 'অতি বিশিষ্ট'  রেটিং পায়। ৯১ থেকে ৯৯ স্কোর অর্জনকারীরা 'সন্তোষজনক' ক্য়াটেগরির অন্তর্ভুক্ত হয়। ৭৭ থেকে ৯০-এর মধ্যে স্কোর করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরবর্তী অডিটের আগে তাদের মান উন্নত করতে হয়, আর ৭৭-এর নিচে স্কোর করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় আবেদন করতে হয়।

আরও পড়ুন: জটাধারী সাধক নিশ্চিন্তায় দুর্গা পুজোর নির্দেশ দেন, বলে দেন প্রতিমার রং হবে লাল

FSSAI-BHOG

২০১৮ সালে FSSAI স্বেচ্ছায় 'ভোগ’ (BHOG - Blissful Hygienic Offering to God) উদ্যোগ নিয়েছিল। মন্দির-সহ বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানে প্রসাদ ও সমবেত ভোজের খাবার তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবেশন এবং বণ্টনের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা এবং নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করাই ছিল এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।ভোগ কর্মসূচির আওতায়, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে প্রথমেই একটি বৈধ FSSAI লাইসেন্স বা নিবন্ধন সংগ্রহ করতে হয়। এরপর একজন অনুমোদিত নিরীক্ষক সংশ্লিষ্ট প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন এবং 'ফুড সেফটি ট্রেনিং অ্যান্ড সার্টিফিকেশন'কর্মসূচির অধীনে নির্দিষ্ট সুপারভাইজারদের খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। 
 

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)

 

Add Zee News as a Preferred Source
TAGS:

About the Author

বলতে বলতে গোওওওল... থেকে বোলারের মাথার উপর দিয়ে তুলে ছয়! মূলত ক্রীড়া সাংবাদিকতায়, তবুও বিনোদন থেকে বিজ়নেস, সর্বত্র কলম-ক্যামেরায় বিচরণ। ২০১১ সালে সাংবাদিকতার বাইশ গজে ডেবিউ। প্রিন্ট-টিভি-ডিজিটাল, তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ১৪ বছরের চলমান ইনিংস। লিখতে লিখতে কাট যায়ে রাস্তে...এমনই ভাবনা আজীবন শিক্ষানবিশের...

ZEENEWS TRENDING STORIES