জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: টাইগার শ্রফের উপর যে তিনজন হামলা চালিয়ে মুম্বই থেকে পালিয়েছিল তাদের রাজস্থানের কোটা থেকে গ্রেফতার করল পুলিস। তাদের মধ্যে ফুল সিং এবং রেহানের বাড়ি হরিয়ানা, এবং হৃতিক কুমার বিহারের বাসিন্দা। রাজস্থান ও কোটার অ্যান্টি-গ্যাংস্টার টাস্ক ফোর্সের যুগ্ম টিম মুম্বই পুলিসের সহায়তায় তাদের রেলওয়ে কলোনি এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।
পুনে-জয়পুর সুপারফাস্ট এক্সপ্রেসে সকাল ১০.১৫ নাগাদ কোটা পৌঁছয়। বাকি দুজন যারা গুলি করার ঘটনায় জড়িত তাদের একজনকে ধরা হয় মহারাষ্ট্র-গুজরাট বর্ডার থেকে। তবে হামলার ঘটনাক পর পর লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং এই ঘটনার দায় স্বীকার করে এবং পরিস্কার হুমকি দেয় সলমন খানের সঙ্গে যারা কাজ করবেন বলিউডে তাদের উপরও হামলা হবে।
এদিন টাইগার শ্রফের সঙ্গে দেখা করতে আসেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। তিনি বলেন, যারা অভিনেতার উপর এই জঘন্য হামলা চালিয়েছে তাদের রেয়াত করা হবে না। আরও বলেন, কারও দাদাগিরি মুম্বইয়ে চলবে না। জ্যাকি পুত্রের সঙ্গে দেখা করে শিন্ডে জানান, অভিনেতার সঙ্গে দেখা হয়েছে, ওর বা কাঁধে এবং হাতে লেগেছে। টাইগার এবং তার মা এই ঘটনায় শিহরিত।
প্রসঙ্গত, রবিবার মুম্বইয়ের একটি ব্যস্ত রাস্তায় দিনের আলোতে তিনজন বাইক আরোহী দুষ্কৃতকারী অভিনেতা টাইগার শ্রফের ওপর হঠাৎ হামলা চালায়। তিনজন লোক অভিনেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে টাইগারকে কাঁধ ও বুকে ব্যান্ডেজ পরা অবস্থায় দেখা যায়। অভিনেতার হাতেও একটি ব্যান্ডেজ রয়েছে। গুরুতর না হলেও হামলায় চোট পেয়েছেন অভিনেতা। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৯ (১) এবং ৩ (৫) অস্ত্র আইনে মামলা রজু করা হয়।
উল্লেখ্য, বিষ্ণোই গ্যাংয়ের অভিনেতা সলমন খানের প্রতি শত্রুতার মূল কারণ হল, ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে রাজস্থানে দুটি কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ। বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে কৃষ্ণসার হরিণ অত্যন্ত পবিত্র বলে বিবেচিত হয়। বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইনের অধীনে একটি নিম্ন আদালত প্রথমে সলমন খানকে দোষী সাব্যস্ত করলেও, পরবর্তীতে রাজস্থান হাইকোর্ট তাঁকে খালাস দেয়।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)