আপাতকালীন পরিস্থিতিতে হাতের কাছেই ডাক্তার, দেখে নিন কোন মণ্ডপে কোন হাসপাতালের চিকিত্সক
Durga Puja: চোরবাগারে ঘটে গিয়েছে মর্মান্তিক ঘটনা। ঝরে গিয়েছে বেক কয়েকটি প্রাণ। তার বড় দর্শণার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে এবার বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর
অয়ন শর্মা: কার গাফিলতিতে চোরবাগানের পুজোয় মারাত্মক ঘটনা তা নিয়ে তদন্ত চলছে। খোদ মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন কাউকে ছাড়া হবে না। এখনওপর্য়ন্ত চোরবাগানের মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনায় ১৯ জনের প্রাণ গিয়েছে। সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার বিভিন্ন মণ্ডপে ডাক্তারের ব্যবস্থা রাখছে স্বাস্থ্য দফতর।
চিকিত্সকের ব্যবস্থা রাখার ক্ষেত্রে নজরে রাখা হচ্ছে কলকাতার বড় পুজোগুলির উপরে। এক্ষেত্রে তালিকা থাকছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার, টালা প্রত্যয়, কলেজ স্কোয়ার, চেতলা অগ্রণীর মতো পুজো। পুজো শুরুর পর থেকে মানুষের থিকথিকে ভিড়ে কার্যত ভেসে যায় ওইসব মণ্ডপ।
কোন মণ্ডপে কোন হাসপাতালের চিকিত্সক
সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে থাকছেন এন আর এস মেডিক্যাল কলেজের চিকিত্সক।
টালা প্রত্যয়ে থাকছেন আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের চিকিত্সক।
কলেজ স্কোয়ারে থাকছেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের চিকিত্সক।
একডালিয়া এভারগ্রিনের মণ্ডপে থাকছেন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের চিকিত্সক।
চেতলা অগ্রগামীতে থাকছেন এসএসকেএম মেডিক্যাল কলেজের চিকিত্সক।
অষ্টমী থেকে দশমী, প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত ওইসব মণ্ডপে থাকবেন চিকিত্সকেরা। কোনও খাপার পরিস্থিতি হলে তত্ক্ষনাত যাতে চিকিত্সা দেওয়া যায় তার জন্য ওই ব্যবস্থা।
আরও পড়ুন-পুজোয় বাড়তি রোজগারের আশায় কলকাতায় এসেছিল খেতমজুরের ছেলে রাজেশ! কে জানত এভাবে ঘনাবে বিপদ?
চোরবাগানের দুর্ঘটনার পর সতর্ক হয়েছে পুলিস। কলকাতার সব থানা মেনে চলবে কমিশনার অজয় নন্দার নির্দেশিকা। পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম থাকবে পুলিসের হাতে। পুজো কমিটিতে শুধু স্বেচ্ছাসেবক নয়, একজন কনস্টেবলও থাকবেন। এন্ট্রি ও একজিট ফাঁকা রাখতে হবে। ইন্সপেক্টরের কাছে থাকবে ম্যানপ্যাক, যাতে পুজো কমিটির সঙ্গে পুলিসের যোগাযোগ থাকে।
কী হয়েছিল চোরবাগানের মণ্ডপে
কলকাতায় বড় পুজোগুলোর অন্যতম চোরবাগানের পুজো। কিন্তু দর্শানার্থীদের জন্য কীরকম ছিল তাদের ব্যবস্থাপনা? জি ২৪ ঘণ্টার প্রতিনিধি গিয়ে যা দেখলেন তাতে চক্ষু চড়কগাছ। পুজোমণ্ডপে ঢোকার পথ খুবই সংকীর্ণ, সরু এগজিটও। সেই সরু রাস্তার উপরেই স্টল। ঘটনার সময় সময়ে বৃষ্টি হচ্ছিল। আচমকা সেই বৃষ্টিতে দর্শনার্থীদের অনেকেই হয়তো মণ্ডপ ছেড়ে বেরোতে চাইছিলেন না। এদিকে অসংখ্য লোক ঢুকছেন এবং আরও অসংখ্য ঢুকতে চাইছিলেন। সেই সময়ে পুজো কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করে, প্যান্ডেল ছেড়ে বেরিয়ে যান, মণ্ডপের অবস্থা ভালো নয়, মণ্ডপ ভেঙে পড়তে পারে! ব্যস! এই কথাতেই মহা কাণ্ড ঘটে যায়।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)