জি ২৪ ঘন্টা ডিজিটাল ব্যুরো: পুজোয় সিপিএমের বুকস্টল-বিতর্ক। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের স্পষ্ট বার্তা, 'পার্টি অফিস ভাঙা, বুকস্টল ভাঙার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই। একথা অস্বীকার করব না যে, ২-১ জন বিজেপি কর্মীকে উপস্থিত থাকতে দেখা দিয়েছে দর্শক হিসেবে। তাদের প্রত্যেককে অমিতাভ চক্রবর্তী, আমাদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডেকে জবাদিহি চেয়েছেন, কেন তাঁরা ওখানে গিয়েছিলেন। তাঁরা যখন ওখানে গিয়েছে এই ঘটনা ঘটছে, বাধা দিয়েছে কি দেয়নি'।
শমীক বলেন, 'যাঁরা এটা করছেন, তাঁরা কার্যতভাবে একটা অপ্রাসঙ্গিক রাজনৈতিক দলকে প্রচার দিচ্ছেন। কিছু ঐতিহাসিক দলিল, কিছু নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ, কিছু সাহিত্য যদি মানুষের সামনে আসে, মানুষই তো ঠিক করবে, কোন বই পড়বে, কোন বই পড়বে না, কোনটার প্রতি আগ্রহ দেখাবে, বুকস্টলে যাবে। একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে, বহুত্ববাদী সমাজে, ভারতবর্ষ, ভারতবর্ষের কৃষ্টি সংস্কৃতি, সর্বোপরি বিজেপি এবং সামগ্রিকভাবে আমাদের চিন্তভাবনা ভুল রাস্তায় ফেলে দেওয়া, ভাঙচুর করা বিরোধী মতামতের মানুষকে আক্রমণ করা, নীতিগতভাবে আমরা বিরোধী'। তাঁর স্পষ্ট কথা, 'অতীতে কংগ্রেস করেছে, সিপিএম করেছে, তারপর তৃণমূল করেছে। এ পথে বিজেপি হাঁটবে না, এটা বিজেপির পথ নয়'।
দুর্গাপুজোর সময়ে প্রত্য়েকবারই শহরের বিভিন্ন জায়গায় বুকস্টল করে বামেরা। বদলের বাংলায় বামেদের সেই বুকস্টল নিয়ে অশান্তি। রাজ্যে বিভিন্ন প্রান্তে বুকস্টলে হামলার অভিযোগ। বস্তুত, সপ্তমীর সব্ধ্যায় যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ডে সিপিএমের বুকস্টলে রীতিমতো বুলডোজার নিয়ে হাজির হয় পুলিস। পুলিসের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে বাম কর্মী-সমর্থকরা। তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)