'মমতাকে বললে শুনতেন না, টাটাদের শিল্প করতে না দেওয়া সবথেকে বড় ভুল'! বিস্ফোরক মদন
Madan Mitra on Singur: 'মমতার সঙ্গী হওয়ার নিজের উপরে ক্ষুদ্ধ। না বুঝেই সিঙ্গুর আন্দোলন করেছিলাম'।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: সিঙ্গুরে 'ভুল'! 'আবার কারখানা হোক', বিস্ফোরক একদা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গী মদন মিত্র। বললেন, 'মমতার সঙ্গী হওয়ার নিজের উপরে ক্ষুদ্ধ। না বুঝেই সিঙ্গুর আন্দোলন করেছিলাম। জীবনের সব থেকে বড় ভুল ছিল টাকাকে শিল্প করতে না দেওয়া'।
আরও পড়ুন: বুদ্ধদেব নন, প্রবলেম হয়ে থাকলে দায় জ্যোতি বসুর? শিল্পনীতি নিয়ে বিস্ফোরক বিমান বসু
মদনের সিঙ্গুর-আক্ষেপ
মমতার হাত ছেড়ে এখন ঋতশিবিরে। কামারহাটির বিধায়ক মদন বলেন, 'প্রথমত মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়কে বললে শুনবেন না। আর দ্বিতীয়ত ওর একটা ব্যাপার ছিল, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য যেহেতু টাটাকে আনছেন, তাই বুদ্ধদেববাবু যা করবেন, আমি তার পালটা করব। সিপিএম যা করবে, আমি তার পালটা করব। আজকে দেখুন, সবার আগে বেবি, ও বেবি, হাই বেবি বলে সবার আগে দৌড়চ্ছেন। যে সিপিএমের হাতে আমাদের পঞ্চাশ হাজার কর্মী খুন হয়েছে, সেই রক্তাক্ত হাত ধরতে তাঁর কিন্তু একটু কুণ্ঠাবোধ হচ্ছে না'।
'বাংলায় বিজেপি ছাড়া আর কেউ পারবে না'
মদনের স্পষ্ট কথা, 'সিঙ্গুরে এই মুহুর্তে যদি ব্যবসা করতে হয়, তাহলে বাংলায় বিজেপি ছাড়া আর কেউ পারবে না। সিঙ্গুরে করতে গেলে অন্য কেউ প্রচুর সমস্য়া হত। ওখানে জমিগুলি একেবারে ক্রিসক্রস হয়ে আছে। জটিল জমি সমস্য়ার সমাধান করে যদি সত্যিই একটা নতুন কারখানা হয়, শুভেন্দু অধিকারীর নাম চিরকাল বাংলার মানুষ... যুব নতুন আশা বুক বাঁধবে'।
আরও পড়ুন: পুরভোট কি পিছিয়ে যাচ্ছে? ডিলিমিটেশন মামলায় বড় নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের
শিরোনামে সিঙ্গুর
ন্য়ানো বিদায়ের পর প্রায় ২ দশক পার। ফের খবরের শিরোনামে সেই সিঙ্গুর। টাটার 'জমি'তে গাড়ি কারখানা? মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা,'সিঙ্গুর নিয়ে অবশ্যই আমরা কোনও ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করব। অশোক লে-ল্যান্ডের সঙ্গে আমার প্রাথমিক স্তরের কথা হয়েছে'। তাঁর স্পষ্ট কথা,'আমরা আগের সরকারের মতো দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে কেবল মৌ স্বাক্ষর করেই দায় সারব না, তাই এখনই বিস্তারিত কিছু বলছি না'।
সিঙ্গুরে শিল্প
সাল ২০০৭। বাংলায় তখন ক্ষমতায় বামেরা। স্লোগান উঠেছিল, কৃষি আমাদের ভিত্তি, 'শিল্প আমাদের ভবিষ্যত্'। সিঙ্গুরে ন্যানো গাড়ির কারখানা করার কথা ঘোষণা করেন টাটা গোষ্ঠীর তত্কালীন চেয়ারম্যান রতন টাকা। কিন্তু সিঙ্গুরে কারখানার জন্য জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামেন রাজ্য়ের তত্কালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আন্দোলনের মুখে শেষপর্যন্ত ন্যানোর কারখানা চলে যায় গুজরাতে।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X, Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)