নান্টু হাজরা ও সৌমেন ভট্টাচার্য: কলকাতার কাছেই উদ্ধার 'বিস্ফোরক'। উত্তর ২৪ পরগনার দত্তরপুকুরে একটি 'বিস্ফোরক' বোঝাই গাড়ি উদ্ধার করল এসটিএফ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে যৌথ অভিযান চালিতে গাড়িটিকে আটক করে এসটিএফ ও এনআইএ। 'বিস্ফোরক' নিয়ে কলকাতার দিকে আসছিল গাড়িটি। এমনটাই সূত্রের খবর। গাড়ির মালিক রাকিবুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। রাকিবুলের দুটি বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। তার দাদার ওষুধের দোকানেও তল্লাশি চলেছে।
উল্লেখ্য, গতকাল দত্তপুকুর থানার কাছে খবর আসে যে দত্তপুকুর তেঁতুলতলার কাছে একটি গাড়ি দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে রয়েছে। সন্দেহে হওয়ার প্রথমে বেঙ্গল এসটিএফ, পরে এনআইএ ও তার পরে এনএসজি ঘটনাস্থলে ছুটে আসে।
বেড়াচাঁপা, বীড়া চৌমাথা, দত্তপুকুর তেঁতুলতলা, দত্তপুকুর দীঘার মোড়, রাকিবুলের মোট ৪টি বাইকের শো রুম রয়েছে। সামান্য একজন মেকানিক থেকে কীভাবে সে বিপুল সম্পত্তির মালিক হল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার একটি মাছের ভেড়িও ছিল। রাকিবুলের বাড়ি তল্লাশি করা হয়েছে। বিস্ফোরকভর্তি গাড়িটিকে দত্তপুকুর ফাঁড়ির কাছে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। রাতভর সেই গাড়ির বিস্ফোরক নিষ্কৃয় করা হয়। রাকিবুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
রাকিবুলের বাইকের শো রুমের একজন কর্মচারী দাবি করেন, গাড়িটি শো রুমের কাছেই রাখাছিল। তাঁর দাবি, মালিক শো রুমে ঢোকার পর থেকে গাড়িটি শোরুম থেকে কিছুটা দূরে রাখা ছিল। তবে তদন্তকারী অফিসাররা ঘটনাস্থলে যখন পৌঁছে যান তখন গাড়ির মালিক সেখানে আসেননি। গাড়ি যেখানে রাখা ছিল তার থেকে শো রুমের দূরত্ব কমবেশি ১০ মিটার। গাড়ি ঘিরে যখন শোরগোল চলছে তখন কি গাড়ির মালিক তার জানতে পারেননি? এটাই এখন প্রশ্ন। রাত ১১টা ৫৫ নাগাদ রাকিবুলকে আটক করা হয়। তার বাড়িতে তল্লাশি চালালেও সন্দেহজনক কিছু উদ্ধার হয়নি।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)