দেবীপক্ষের দ্বিতীয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর মঙ্গল কামনা, ১০৮ কন্ঠে চণ্ডীপাঠ, ১০৮ শঙ্খের ধ্বনি
Suvendu Adhikari: ঘটা করে আয়োজিত চণ্ডীপাঠ ও শঙ্খধ্বনির অনুষ্ঠানে ভক্তি ও ধর্মীয় আবহে মেতে ওঠেন উপস্থিত সকলে। উপস্থিত ছিলেন রাজপরিবারের সদস্য রুদ্রপ্রসাদ গর্গ-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব
কিরণ মান্না: দেবীপক্ষের দ্বিতীয়ায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মঙ্গল কামনা এবং দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রার্থনায় বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হল কাঁথির ভগবান মন্দিরে। কাঁথির মাতৃভূমি সনাতন ব্রাহ্মণ ট্রাস্ট ও ভগবান মন্দির পরিচালন সমিতির যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ১০৮ কণ্ঠে শঙ্খধ্বনি এবং ১০৮ জন পণ্ডিতের সমন্বয়ে চণ্ডীপাঠ অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রোচ্চারণ ও শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে মন্দির প্রাঙ্গণ। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মঙ্গল কামনার পাশাপাশি দেশ ও রাজ্যের শান্তি, সম্প্রীতি ও মঙ্গল কামনা করা হয়।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিরন্ময় মহারাজ, মহিষাদল রাজপরিবারের সদস্য রুদ্রপ্রসাদ গর্গ-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। ঘটা করে আয়োজিত চণ্ডীপাঠ ও শঙ্খধ্বনির অনুষ্ঠানে ভক্তি ও ধর্মীয় আবহে মেতে ওঠেন উপস্থিত সকলে। দেবীপক্ষের সূচনালগ্নে এই বিশেষ ধর্মীয় আয়োজন ঘিরে কাঁথির ভগবান মন্দিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
আরও পড়ুন-বদলের বাংলায় ডাল-ভাত নয়! মিড-ডে মিলে একথালা গরম গরম চিকেন বিরিয়ানি, পড়ুয়াদের পুজোর সারপ্রাইজ
চণ্ডীপাঠ অনুষ্ঠানে আগত এক ব্যক্তি বলেন, একটা সময় ছিল একজনও যদি মাইক লাগিয়ে চণ্ডীপাঠ করতেন তাহলে সবার আগে পুলিস ছুটে আসত। মহিষাদলে দেখেছি নানান ঘটনায় এরকম হয়েছে। ২০২৬ সালে ৪ জানুয়ারি মূর্তি ভাঙা হল সরস্বতীর। পুলিস থেকে কোনও ব্যবস্থা করা হল না। আমরা দেখেছি, কীভাবে আরজি করের ঘটনার সময়ে মিছিল করা হত তখন কীভাবে প্রতিবাদীদের আটকে দেওয়া হচ্ছে। আজ আমরা স্বাধীন বাতাবরণ চণ্ডীপাঠ করে যাচ্ছি। হিন্দুত্ববাদীরা যখন বক্তৃতা দেয় তখন তারা বলে জিহাদিদের তাড়াতে হবে। আসল জিহাদি-জামাতি কারা? যারা পাকিস্তান থেকে এসে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে নাকি এই দেশে থেকে হিন্দু হয়েও হিন্দুদের বিরোধিতা করছে। মহিষাদলের চোলাবাড়ি ময়দানকে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ময়দান নাম দেওয়া হল তাখন তার বিরোধিতা করা হচ্ছে। ভারতীয় সংস্কৃতির যারা বিরোধী তাদের বিরোধী আমরা। আমরা কোনও ব্যাক্তিগত ধর্মের বিরোধী নই। আমরা বিরোধী তাদের যারা ধর্মের পথে যারা চলছে তাদের বিরোধিতা করছে।
মাতৃভূমি সনাতন ব্রাহ্মণ ট্রাস্টের রাজ্য সম্পাদক অশোক কুমার পন্ডা বলেন, রাজ্যে বাংলায় সনাতনি সরকার এসেছে। তাই আমরা রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী সুস্বাস্থ্য কামনায় চণ্ডীপাঠের অনুষ্টান করছি। ১০৮ শঙ্খর ধ্বনি করা হচ্ছে। এতে আমরা অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছি।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)