জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে আইএফএ শিল্ড জিতেছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। আইএসএল ২০২৬-২৭ শুরুর আগে বাড়তি অক্সিজেন পেয়ে গিয়েছে লিগের ইতিহাসে অন্যতম সফল দল। জোড়া ট্রফি ও জোড়া শিল্ডজয়ী সবুজ-মেরুন গত মরসুমে দুয়ে শেষ করেছিল আইএসএল। তবে এবার নয়া কোচ প্যানাগিওটিস দিলেম্পেরিসের অধীনে নতুন উদ্য়মে শুরু করতে মরিয়া শুভাশিস বোসরা। রাত পোহালেই মোহনবাগানের আইএসএল বোধন। হোম নয়, অ্যাওয়ে ফিক্সচার দিয়ে শুরু হচ্ছে মোহনবাগানের মিশন। ১২ অক্টোবর, সোমবার ইন্দিরা গান্ধী অ্যাথলেটিক স্টেডিয়ামে মোহনবাগানের প্রতিপক্ষ নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড। গঙ্গাপারের দল চলতি মরসুমে ডুরান্ড কাপেই গুয়াহাটির দলের মুখোমুখি হয়েছে। প্যানোস মনে করেন প্রাক-মরসুমে একাধিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ফলে খেলোয়াড়দের মধ্যে কৌশলগত নমনীয়তা গড়ে উঠেছে এবং আইএসএল অভিযানের আগে তারা মূল্যবান ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে।
কী বলছেন বাগান কোচ
প্যানোস সাংবাদিক বৈঠকে বলেছেন, 'আমরা দুটি ভিন্ন ফরমেশন নিয়ে কাজ করতে পেরেছি—যেমন ৩-৪-৩ এবং ৪-২-৩-১। ফলে খেলোয়াড়রা এখন এই দুই পদ্ধতিই আয়ত্ত করে ফেলেছে। তাই আমরা বিভিন্ন ম্যাচে এগুলি ব্যবহার করতে পারি কিংবা ম্যাচের চলাকালীনও কৌশল বদলাতে পারি। অধিকাংশ খেলোয়াড়ই খেলার সুযোগ পেয়েছে এবং সেই সময়টা ছিল বেশ চাপের, কারণ আমরা শিরোপা জিততে চেয়েছিলাম। সামগ্রিক ভাবে এই পুরো প্রক্রিয়াটিই আমাদের জন্য উপকারী ছিল।' কোচ এই মরসুমে দলের কাছে তাঁর প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেছেন। তিনি জানান যে তিনি মোহনবাগানকে আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখতে চান। তবে তিনি এও স্বীকার করেন যে, পুরো ম্যাচ জুড়ে সেই তীব্রতা বজায় রাখার জন্য দলের কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হতে পারে। প্যানোসের সংযোজন, 'আমি মাঠে এমন এক দলকে দেখতে চাই যারা আরও কিছুটা আক্রমণাত্মক ও তীব্রতা নিয়ে খেলবে। এটা ঠিক যে প্রাক-মরসুম প্রস্তুতিতে একটি ম্যাচের দীর্ঘ সময় ধরে এমনটা করার মতো অবস্থায় আমরা হয়তো এখনও নেই। আমাদের জিততেই হবে। এর বাইরে অন্য কোনও ফলাফলের সুযোগ নেই।'
আরউইন খুশি তাঁর দল নিয়ে
কলকাতা লিগ, আইএফএ শিল্ড সাফল্যের মধ্য দিয়ে ব্যস্ত প্রাক মরসুম কাটিয়ে মোহনবাগান নতুন মরসুম শুরু করতে চলেছে, যা লিগের আগে দলকে একটি শক্তিশালী ভিত্তি এনে দিয়েছে। দলের ফরোয়ার্ড লি হ্যারি আরউইনও দলের পরিবেশ ও প্রস্তুতি নিয়ে আত্মবিশ্বাসী। তিনি বলেন যে মরসুম জুড়ে যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে, তা দলের পারস্পরিক সংহতিকে আরও দৃঢ় করতে সাহায্য করেছে। আরউইন বলেন, 'দলের ভিতরের পরিবেশ খুবই ভালো, বিশেষ করে এই মরসুমে আমাদের যেসব বাধা-বিপত্তির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, তা বিবেচনায় করলে বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ। অনুশীলনের সময়ও সেটা বোঝা যায়। সবাই মিলেমিশে বেশ খুশি। আমাদের ঝুলিতে দু'টি ট্রফিও রয়েছে। এই সাফল্যের উপর ভিত্তি করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।' বোঝাই যাচ্ছে মোহনবাগান জিততে মরিয়া।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)