SOCIAL MEDIA

Newsletter

PARTNER SITES
Select Language Select State

WATCH: 'অফ কোর্স ও ভীষণ গুড-লুকিং ছিল', কীভাবে রাজীবের প্রেমে পড়েছিলেন সোনিয়া? স্মৃতিচারণায় রাহুল জননী

কীভাবে রাজীব গান্ধীর প্রেমে পড়েছিলেন সোনিয়া গান্ধী? স্মৃতিচারণায় রাহুল জননী, অভিষেক করলেন এক্স হ্যান্ডেলে

Written By Subhapam Saha
Published: Oct 24, 2026, 06:35 PM IST | Updated: Oct 24, 2026, 06:36 PM IST
Join

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: কংগ্রেস সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী ২৪ অক্টোবর এক্স হ্য়ান্ডেলে পা রাখলেন। দু'দিন আগে ইনস্টাগ্রামেও অভিষেক করেছিলেন সোনিয়া।  শনিবার নিজের প্রথম পোস্টেই তিনি স্মৃতিচারণা করেছেন। স্বামী ও দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর সঙ্গে ১৯৬৫ সালে প্রথম দেখার অভিজ্ঞতাই ভাগ করে নিয়েছেন। জানিয়েছেন যে, কীভাবে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজে দ্য ভার্সিটি নামে এক ছোট গ্রিক রেস্তোরাঁয় তাঁদের প্রেমের পথচলা শুরু হয়েছিল। সোনিয়া ১ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন জীবনের প্রথম এক্স পোস্টে। আগামী ১০ নভেম্বর ভারতের প্রবীণ কংগ্রেস নেত্রীর লেখা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘বিলংগিং: আ জার্নি অফ লাভ’ প্রকাশিত হচ্ছে। তার ঝলকও দেখা গিয়েছে ভিডিয়োতে। নিজের স্মৃতিচারণ এবং পুরনো ছবিগুলির মাধ্যমে সোনিয়া পাঠকদের রাজীবের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের শুরুর দিনগুলিতে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। তিনি বলেছেন, 'কেমব্রিজের এক ছোট গ্রিক রেস্তোরাঁয় ভালোবাসার যাত্রা শুরু হয়েছিল। রাজীব আর আমি ভালোবাসা-হাসি-স্মৃতিতে ভরা এক পৃথিবী গড়ে তুলেছিলাম। ১০ নভেম্বর আমি সেই দুনিয়া আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নেব।'

আরও পড়ুন: অবশেষে গ্রেফতার ভারতের 'মোস্ট ওয়ান্টেড' গ্যাংস্টার! কে এই বিষ্ণোইয়ের শত্রু হিমাংশু ভাউ? ১৭ বছর বয়স থেকেই অন্ধকার জগতে হাতেখড়ি

রাজীবের সঙ্গে প্রথম দেখা সোনিয়ার

রাজীবের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের কথা বলতে গিয়ে সোনিয়া জানান, এক পরিচিত বন্ধুর মাধ্যমে এক রেস্তোরাঁয় তাঁদের পরিচয় হয়েছিল। তিনি বলেন, রাজীবের সঙ্গে তাঁর এক তাৎক্ষণিক সংযোগ তৈরি হয়েছিল এবং দ্রুতই তাঁরা বন্ধু হয়ে ওঠেন। সোনিয়া বলেন, “অবশ্যই, তিনি দেখতে খুবই সুদর্শন ছিলেন।” সেই সময় ইংল্যান্ডে ভালো খাবার খুঁজে পাওয়ার চ্যালেঞ্জ নিয়েও তিনি কথা বলেন। তাঁর ভাষ্যমতে, তখন খুব বেশি রেস্তোরাঁ ছিল না, তবে শেষ পর্যন্ত তিনি এক গ্রিক রেস্তোরাঁ খুঁজে পান, যা ভারতীয় ও ইতালীয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় ছিল। এই রেস্তোরাঁতেই রাজীব গান্ধীর সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। তিনি স্মরণ করেন, বন্ধুদের সঙ্গে বিভিন্ন পার্টিতে যাওয়ার সুবাদে কীভাবে তাঁদের বন্ধুত্ব আরও গভীর হয়ে ওঠে। সোনিয়া বলেন, 'ঠিক সেই রেস্তোরাঁতেই রাজীবের সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হয়। প্রথম দেখাতেই আমার মনে হয়েছিল, এমন একজন মানুষ—যার সান্নিধ্যে আমি থাকতে চাই। আর পরে জানতে পারি, তিনিও একই রকম অনুভব করতেন। আমাদের এক পরিচিত বন্ধু আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল, এরপর আমরা বন্ধু হয়ে উঠি। আমরা বন্ধুদের সঙ্গে বিভিন্ন পার্টিতে যেতাম।' রাজীব গান্ধীর মৃদু স্বভাবের কথাও তিনি স্মরণ করেন; সোনিয়ার কথায়, এটিই ছিল প্রথম বিষয়গুলোর একটি যা তাঁর নজর কেড়েছিল। তিনি আরও বলেন, 'তিনি দেখতে অত্যন্ত ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের ছিলেন। তিনি যে সুদর্শন ছিলেন তা তো বটেই, তবে তাঁর সেই ভদ্রতা ও নম্রতা বিশেষভাবে ফুটে উঠত। এই বিষয়টি আমাকে গভীর ভাবে স্পর্শ করেছিল। তাঁর সঙ্গে প্রথম সেই সাক্ষাতের মুহূর্ত আমি কখনই ভুলব না।'

আরও পড়ুন: ভোররাতে জ্বলন্ত ট্রেলারে ধাক্কা পুণ্যার্থীবোঝাই বাসের: দর্শন শেষে ফেরার পথেই ভয়ংকর দুর্ঘটনায় বহু মৃত্যু, শোকের ছায়া

বিলংগিং: আ জার্নি অফ লাভ’

দু'মলাটে বন্দি হয়েছে সোনিয়ার স্মৃতিকথায় ৫৪৪ পাতা। যা ১০ নভেম্বর প্রকাশিত হবে। বইটির প্রি-অর্ডার শুরু হয়েছে। আলফ্রেড এ. নফ বিশ্ব জুড়ে এটি প্রকাশ করছে এবং ভারতে এর প্রকাশের দায়িত্বে রয়েছে হার্পারকলিন্স ইন্ডিয়া । বইটিতে সোনিয়ার জীবনের বিভিন্ন পর্যায় তুলে ধরা হয়েছে—যুদ্ধ-পরবর্তী ইতালিতে তাঁর শৈশব থেকে শুরু করে রাজীবের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ও সম্পর্কের সূচনা পর্যন্ত। এছাড়া প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও রাজীব গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের মতো তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের বড় বড় শোকাবহ ঘটনাগুলিও এতে উঠে এসেছে! এই স্মৃতিকথায় আরও অন্বেষণ করা হয়েছে যে, কীভাবে এই অভিজ্ঞতাগুলি তাঁর জীবনকে গড়ে তুলেছে এবং পরবর্তী কালে ভারতীয় রাজনীতিতে তাঁর ভূমিকা নির্ধারণে সহায়তা করেছে।

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X, Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)

Add Zee News as a Preferred Source

About the Author

বলতে বলতে গোওওওল... থেকে বোলারের মাথার উপর দিয়ে তুলে ছয়! মূলত ক্রীড়া সাংবাদিকতায়, তবুও বিনোদন থেকে বিজ়নেস, সর্বত্র কলম-ক্যামেরায় বিচরণ। ২০১১ সালে সাংবাদিকতার বাইশ গজে ডেবিউ। প্রিন্ট-টিভি-ডিজিটাল, তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ১৪ বছরের চলমান ইনিংস। লিখতে লিখতে কাট যায়ে রাস্তে...এমনই ভাবনা আজীবন শিক্ষানবিশের...

ZEENEWS TRENDING STORIES