পিয়ালি মিত্র: অর্ণবের হাত থেকে কোনওক্রমে রক্ষা পেয়েছে বাংলা। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি নিম্নচাপের জেরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ঘুম ছুটিয়ে দিয়েছিল অন্ধ্র ও ওড়িশা সরকারের। খুব অল্পের উপর দিয়ে গিয়েছে সেই ঘূর্ণিঝড়। বাংলাতেও তার হালকা প্রভাব পড়েছিল। এবার ফের নতুন বিপদ। সাগরে তৈরি হয়েছে একটি নিম্নচাপ। সেটি ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দিল্লির মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে একটি সুষ্পষ্ট নিম্নচাপ অঞ্চল। আগামী ৬ ঘণ্টার মধ্যে সেই নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপ, এমনকি নিম্নচাপজনিত ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হতে পারে।
ঘূর্ণাবর্তই শেষ কথা নয়, আবহাওয়া দফতরের আশঙ্কা হল ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হওয়ার পর আগামী ২৪ ঘণ্টায় সেই ঘূর্ণাবর্ত আরও শক্তি সঞ্চয় করে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সিস্টেমটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। আগামী ২ নভেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যার মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে পৌঁছতে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। ফলে আগামী কয়েকদিন বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকাগুলিতে আবহাওয়ার পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, দক্ষিণবঙ্গে ৩১ অক্টোবর থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত উপকূল এবং পশ্চিমাঞ্চলে দুই এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। বাকি এলাকায় খটখটে শুষ্ক রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া। আগামী সপ্তাহে উপকুল এবং পশ্চিমের জেলায় বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার হালকা মাঝারি বৃষ্টির স্পেল শুরু হতে পারে দুই মেদিনীপুর দুই ২৪ পরগনা ঝাড়গ্রাম পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়া জেলায়।
শনিবার উত্তরের ৫ জেলায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। ১ নভেম্বর থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত মূলত আংশিক মেঘলা আকাশ কিছু এলাকায় শুষ্ক আবহাওয়া। তবে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ দু এক পশলা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X, Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)