'সাদা চামড়ার কেউ ভারতকে হুকুম করতে পারে না', প্রধানমন্ত্রী মোদীর পাশে দাঁড়িয়ে মাস্ককে নিশানা ওয়েসির
Asaduddin Waisi: ওয়েসি বলেন, যে দলটি রাষ্ট্রবাদের কথা বলে তারা কেন চুপ করে রয়েছে
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: সংসদ ও সংসদের বাইরে কখনও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ছেড়ে কথা বলেননি মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েসি। কিছু টেসলা পার্ধান ইলন মাস্ক যখন ভারতের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তখন আর চুপ করে থাকতে পারেননি ওয়েসি।
মাস্কের অভিযোগ নিয়ে যেখানে নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে শোরগোল শুরু করেছেন সেখানে পাল্টা ইলন মাস্ককে নিশানা করেছেন ওয়েসি। তাঁর সাফ কথা, কোনও সাদা চামড়ার লোক ভারতের নীতিতে মাথা গলাতে পারে না।
কী থেকে এই বিতর্ক?
ভারতের তাদের সার্ভিস চালু করার চেষ্টা করছে ইলন মাস্কের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট কোম্পানি স্টারলিঙ্ক। সেই পরিষেবা দেওয়ার এখন ও পায়নি ইলন মাস্কের কোম্পানি। সম্প্রতি এনিয় তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, মুকেশ আম্বানি কি ভারতের আসল বস? মাস্কের ওই মন্তব্যকে ঘিরে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির সঙ্গে কেন্দ্রের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলে গিয়েছে বিরোধীরা। এর মধ্যেই একেবারে উল্টো মেরুতে দাঁড়িয়েছেন আসাদউদ্দিন ওয়েসি।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে হায়দরাবাদে ওয়েসি বলেন, মোদীর বিরোধিতা করি মানে এই নয় যে বাইরের কেউ ভারতের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলবে আর তাকে ছেড়ে কথা বলব। আমরা সব সময় মোদী বিরোধিতা করে এসেছি। ভবিষ্যেতও করব। কিন্তু কীভাবে ইলন মাস্কের মতো একজন বিরোধী প্রধানমন্ত্রী মোদী সম্পর্কে এমন কথা বলতে পারেন?
প্রধানমন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়েও বিজেপিকে নিশানা করেন ওয়েসি। তিনি বলেন, যে দলটি রেজই রাষ্ট্রবাদের কথা বলে তারা কেন এক বিদেশি ব্যবসায়ী দেশের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করার পরও চুপ করে রয়েছে। বিজেপি এবং মোদী সরকার 'গোরা চামড়া-কে এত ভয় পায় কেন?
স্টারলিংকের ইন্টারনেটকে অনুমোদন দেওয়া নিয়ে এখনও জটিলতা কাটেনি। বরং এনিয়ে মাস্ক ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে একটি সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হয়ে গিয়েছে। পেসএক্স প্রধান অভিযোগ করেন, নিজেদের ব্যবসা বজায় রাখতে ভারতের পুঁজিপতিরা তাঁর কোম্পানিকে ভারতের বাজারে ঢুকতে দিচ্ছে না। মুকেশ আম্বানিই কি ভারতের "আসল বস"!
এদিকে মাস্কের ওই মন্তব্য নিয়ে তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভারত সরকার কারও সসঙ্গেই বৈষম্যমূলক আচরণ করে না। স্টারলিংক, রিলায়েন্স জিওর স্যাটেলাইট উদ্যোগ এবং ভারতী-সমর্থিত ইউটেলস্যাট ওয়ানওয়েব-সবার জন্যই মূল্যায়ন প্রক্রিয়া চলছে। নিরাপত্তার বিষয়টি ঠিক নাওয়া পর্যন্ত কোনো সংস্থাই তাদের বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু করতে পারবে না।