এখানে মানত করলে দেবী ফেরান না! দূর দূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করেন লালবাথানি গ্রামের দুর্গাপুজোয়
Durga Puja 2026: আড়াইশো বছরে ঐতিহ্য়। এলাকার মানুষের বিশ্বাস, দেবী কাউকে ফেরান না। মনস্কামনায় লালবাথানির দুর্গাপুজোয় ভিড় করেন কাতারে কাতারে মানুষ
রণজয় সিংহ: আড়াইশো বছর পেরিয়ে গিয়েছে। সেই জৌলুশ হয় তো নেই। তার পরেও এখনও নজর কাড়ে মালদার মানিকচকের লালবাথানি গ্রামের জমিদারবাড়ির দুর্গাপুজো। একেবারে সাবেকি রীতি মেনেই এখানে হয়ে আসেছে মায়ের আরাধনা।
কৃষ্ণপক্ষের নবমী তিথিতে হয় বোধন। শুরু হয়ে যায় এই পুজো। মন্দির প্রাঙ্গনে ঘটে ভরে জল নিয়ে আসা হয় জমিদারবাড়ির দুর্গাপুকুর থেকে। সেই জল এনে দুর্গাপুকুর পাড়ে মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে ঘট ভরা হয়। পাঁঠাবলিও হয় এদিন। অনুষ্ঠানে বিশেষত গ্রামের পুরুষেরা অংশ নেন। এদিন থেকে ষষ্ঠীর আগের দিন পর্যন্ত মন্দির প্রাঙ্গনে সকাল-সন্ধ্যা চলে মা চণ্ডীর আরাধনা। ষষ্ঠীর সকালে নতুন করে ভরা হয় ঘট। রীতিনীতি মেনে শুরু হয় মা দুর্গার আরাধনা। দশমী পর্যন্ত পাঁচ দিন ধরে চলে আরাধনা। এই পুজো করা হয় মূলত চ্যাটার্জি,ব্যানার্জি,মুখার্জী ও রায়বাড়ির তরফে।
গ্রামের একেবারে শেষ প্রান্তে রয়েছে এই মন্দির। ঠিক কবে এই পুজোর সূচনা হয়েছিল তা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে। কবে অনেকেই বলেন, টানা ৬ পুরুষ ধরে চলে আসছে এই পুজো। নবমী তিথিতে পুজোর সূচনা। দায়িত্বে থাকেন জমিদার বাড়ির লোকজন। পৌরহিত্য করেন ওইসব পরিবারেরই পুরুষরা।
খুবই জাগ্রত দেবী হিসেবে এখানে পুজো পান লালবাথানির এই দেবী। শোনা যায়, বড় দুর্গার কাছে মানত করলে সেই মানত বিফলে যায় না। মনের ইচ্ছে পূরণের আশায় ভিড় জমান হাজার-হাজার ভক্ত।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)