পুজোর আনন্দ মুহূর্তে ছাই! বাঘাযতীন বাজারে বিধ্বংসী আগুন, ভস্মীভূত ৪৫ দোকান, কাঁদছেন সর্বস্ব হারানো ব্যবসায়ীরা
Baghajatin Market Fire: মহানবমীর ভোরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বাঘাযতীন বাজারে। লেলিহান আগুনে ভস্মীভূত প্রায় ৪৫টি দোকান। দমকলের ১৫টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা ব্যবসায়ীরা।
নান্টু হাজরা: মহা নবমীর ভোরে অগ্নিকাণ্ড। মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের। ভোর ৩টে ৩০ নাগাদ আগুন লাগে বাঘাযতীন বাজারে। দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন ৪ ঘণ্টারও বেশি চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় ৪৫টি দোকান আগুনের গ্রাসে ভস্মীভূত হয়ে যায়।
পুজোর সময় প্রায় সব ব্যবসায়ীরাই প্রচুর টাকার সামগ্রী কিনে মজুত রাখেন দোকানে। ঠিক তেমনই বাঘাযতীন বাজারের ব্যবসায়ীরাও প্রচুর টাকার মাল তুলেছিলেন। যাতে একেবারে ভাইফোঁটা পর্যন্ত যাতে ব্যবসা করতে পারেন। কিন্তু নবমীর ভোরে অগ্নিকাণ্ডে সব শেষ। আগুনের গ্রাসে প্রায় ৪৫টি দোকান। ভোর ৩টে ৩০ টে নাগাদ আগুন লাগে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
দমকলে খবর দিলে দমকলের একটি ইঞ্জিন প্রথমে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। ততক্ষণে আগুনের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। আগুন ছড়িয়ে পড়তে থাকে একের পর এক দোকানে। এরপর প্রায় ৩৫ মিনিট পর বাকি দমকলের ইঞ্জিনগুলি আসে বলে অভিযোগ। জোরকদমে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা শুরু হয়। প্রায় ৪ ঘণ্টা পর সকাল সাড়ে সাতটার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
এরপর দমকল আধিকারিকরা পকেট ফায়ার কোথাও রয়েছে কিনা সেই বিষয়ে খতিয়ে দেখতে শুরু করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছন সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। যেখানে আগুন লাগে সেই জায়গাটিতে বেশিরভাগই মুদিখানার দোকান। ভস্মীভূত দোকান দেখে অনেক ব্যবসায়ীরাই কেঁদে ফেলেন।
পুজোর মরশুমে এই বিপর্যয়, আর্থিক ক্ষতিতে কীভাবে কী করবেন তাঁরা, কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না। কীভাবে সংসার চালাবেন, সেই চিন্তায় মাথায় হাত। সরকারি সাহায্যে যাতে পাওয়া যায় , সেই আবেদন করেছেন তাঁরা। তবে আগুন লাগার কারণ কী? কী করে আগুন লাগল? সেই বিষয় এখনও পরিষ্কার নয়।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)