'দলের কর্মীদের হেনস্থা করা হচ্ছে', রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে মানবাধিকার কমিশনে হুমায়ুন
Humayun Kabir: একসময় বলেছিলেন রেজিনগরে ভোট প্রচারের পরিস্থিতি নেই। বলেছিলেন কর্মীদের হেনস্থা করা হচ্ছে। এবার সেই অভিযোগ নিয়েই মানবাধিকার কমিশনে
পিয়ালি মিত্র: পুলিসের বিরুদ্ধে এবার মানবাধিকার কমিশনে হুমায়ুন কবীর। কর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর, কর্মীদের হেনস্থার অভিযোগের পাশাপাশি পুলিসের অভিযান নিয়ে সরব আম জনতা উন্নয়ন পার্টি প্রধান।
বুধবার সকালে দলের কিছু কর্মীদের নিয়ে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনে আসেন হুমায়ুন কবীর। এর আগে এনিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে চিঠি লেখেন হুমায়ুন। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন সময় বেলদা, নওদা, শক্তিনগর থানার পুলিস তাঁর দলের কর্মীদের হেনস্থা করছে। সেই একই অভিযোগ নিয়ে তিনি আজ দলীয় কর্মী ও তাদের পরিবারকে নিয়ে মানবাধিকার কমিশনে আসেন হুমায়ুন।
হুমায়ুনের অভিয়োগ, গত শনিবারও তাঁর দলের ৩ কর্মীকে গ্রেফতার করে শক্তিপুর থানার পুলিস। তাদের বাড়িতে গিয়ে ভাংচুর চালানো হয়, এসি ভেঙে দেওয়া হয়, মহিলাদের উপরে অত্যাচার করা হয়। যে মহিলাদের উপরে অত্যাচার করা হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ তাঁদেরও তিনি কমিশনে নিয়ে আসেন।
উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই হুমায়ুন কবীর সংবাদমাধ্য়মে বলেন, প্রচার করার মতো কোনও পরিস্থিতি নির্বাচন কমিশন এখানে করে রাখেনি। যারা রক্ষক তারাই ভক্ষক। আমাদের সঙ্গে যারা কথা বলতে আসছে তাদের কেন গ্রেফতার করেছে পুলিস? কী কারণে? প্রচার করে কী করব? ৬ তারিখে আমরা সক্রিয় থাকব।
হুমায়ুন কবীর আজ বলেন, পুলিস ২২ জনের তালিকা করে হুমকি দিচ্ছে। এলাকায় জরুরি অবস্থার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, মানুষ ভোট দিতে পারবে না। AJUP জিতে যাবে বলেই পুলিস ভয় দেখাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ঘুমিয়ে রয়েছে। এলাকায় ‘পুলিসরাজ’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিজেপি জিতবে না, এটা মুখ্যমন্ত্রী জানেন। এলাকায় ২০০ জন RSS কর্মী ঢুকিয়েছে পুলিস, অথচ তাঁদের কর্মীদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিস তাঁদের ৬ তারিখের পর এলাকায় আসতে বলছে। একটি আসন দখলের জন্য নির্বিচারে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)