‘একদিনেই হবে না, তবে ভয় ঢুকবে, ধর্ষকদের ভয় পাওয়াতে হবে!’ গাইঘাটা এনকাউন্টারে সাফ কথা দিলীপ ঘোষের
Dilip Ghosh: গাইঘাটা এনকাউন্টার নিয়ে বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। তবে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের স্পষ্ট বক্তব্য, "ধর্ষকদের মনে ভয় ঢোকাতেই হবে। একদিনে সব হবে না। তবে আস্তে আস্তে ভয় ঢুকবে।"
অয়ন ঘোষাল: বারুইপুরের পর গাইঘাটা। ফের রাজ্যে এনকাউন্টার। ইতিমধ্যেই গাইঘাটা এনকাউন্টার নিয়ে রাজ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে চাপানউতোর। তবে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের এপ্রসঙ্গে অবস্থান একদম স্পষ্ট। তাঁর সাফ কথা,
"ধর্ষকদের ভয় পাওয়াতে হবে। ভয় পাওয়াতেই হবে। একদিনে তো হবে না। তবে আস্তে আস্তে হবে। বারুইপুরে হয়েছে। এখানে হয়েছে। এইভাবেই মনে ভয় ঢুকবে।"
পাশাপাশি রাজ্য রাজনীতির আরও অন্য বিষয়েও মুখ খুলেছেন দিলীপ ঘোষ। উত্তর দিয়েছেন একাধিক প্রশ্নের। তাঁর সোজাসাপটা জবাবে উঠে এসেছে কৌস্তভ বাগচীর আত্মহত্যা করার হুঁশিয়ারি থেকে পাপিয়া অধিকারীর প্রাক্তন আপ্ত সহায়কের গ্রেফতারের প্রসঙ্গও। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কী বললেন দিলীপ ঘোষ?
'তৃণমূল থেকে একটাও লোক যদি বিজেপিতে আসে আমি আত্মহত্যা করব', হুঁশিয়ারি কৌস্তভ বাগচীর
উনি নিজেই কংগ্রেস থেকে এসেছেন। পুরভোটের আগে কোন দল থেকে কে কোন দলে আসবে সেটা পার্টি বিবেচনা করবে। ওনার তো অত চিন্তা করার দরকার নেই। উনি ওনার মতামত বলেছেন। উনি নিজে দলে এলেন কীভাবে? পার্টি সবদিক বিবেচনা করেই দলে লোক নিচ্ছে।
ববি-সৌগত চূড়ান্ত সংঘাত, ববি কন্যা প্রিয়দর্শিনীর আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট
তৃণমূল নিজেদের মধ্যে গুঁতোগুঁতি করতে করতে ১৫ বছর কাটিয়ে দিল। জনতা কিছুই পেলনা। আজ তৃণমূল যুগের অবসান ঘটেছে। অতএব পুরোনো কাসুন্দি ঘেঁটে আর কোনো লাভ নেই।
বিজেপির পুরভোটের ঘর গোছানো স্বয়ংসম্পূর্ণ, বলেছেন শমীক ভট্টাচার্য! তাও তৃণমূলের একাধিক নাম ভেসে আসছে কেন?
অনেক নাম ভাসানো হচ্ছে। কে ভাসাচ্ছে জানিনা। হয়তো আপনারাই দর্শক বাড়ানোর জন্য ভাসিয়ে দিচ্ছেন। হাওয়া তৈরি করছেন। ভাসানো নামে পার্টির কিছু যায় আসেনা। পার্টির নিজস্ব কমিটি আছে।
SIR সম্পূর্ণ না হলে পুরভোট করতে দেব না, দাবি বিরোধীদের
ওরা আর কি কি করবেন? কোর্টে যান। নাহলে জনতার কাছে যান। জনতা ওদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আদালত ওদের কথা শুনে বাদ পড়া নাম বিবেচনার জন্য আবার ফর্ম ফিলাপ করাচ্ছে। আমরাও চাই একজনও বৈধ ভোটার যেন বাদ না পড়ে।
হাসপাতালে প্রক্সি ডিউটি, হাতেনাতে ধরলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ভুয়ো ডাক্তার ভুয়ো ইঞ্জিনিয়ার ভুয়ো ভোটার। এগুলোই ছিল তৃণমূলের কালচার। বহু জায়গায় এখনও বহু এরকম ভুয়ো ব্যাপার থেকে গেছে। সাফ করার কাজ চলছে।
প্রাক্তন কাউন্সিলর ঘণশ্রী বাগের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে মধ্যযুগীয় বর্বরতার অভিযোগ
কার কি স্টেটাস সেটা পরের কথা। এই অসভ্যতা করার অধিকার কারুর নেই। দেশে আইন আছে। সমাজ আছে। বসে মিটিয়ে নেওয়ার ব্যাপার আছে। আইন হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কার আছে? প্রশাসন উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে।
বিজেপি প্রার্থী নামের ড্রপ বক্স
ড্রপ বক্স পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। কালীঘাট তৃণমূল এখনও প্রার্থী দেয়নি। সম্ভবত কালীপুজোর পর দেবে। আগামী বছর দিক। তাতেও অসুবিধা নেই। প্রার্থী না পেলে প্রার্থী দেবে কীভাবে?
পাপিয়া অধিকারীর প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক গ্রেফতার
হতেই পারে। আইন সবার জন্য সমান। মানুষ ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে পছন্দ করে। প্রতিদিন আমার সঙ্গে প্রচুর লোক ঘুরে বেড়ায়। তাই বলে কি তাদের যা খুশি করার অধিকার কেউ দিয়েছে? কয়েকদিন আগেই আমার সঙ্গে ঘোরাঘুরি করে এমন একজনের বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ জানিয়েছিল। আমি সোজা বলে দিয়েছি থানায় যান। পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।
আরও পড়ুন, পুরভোটে কারা হচ্ছেন বিজেপির প্রার্থী? দিলীপ ঘোষের বড় মন্তব্য
আরও পড়ুন, ১.৫৯ লাখ নাম অনিশ্চিত! পুরভোট পিছনোর দাবি বিরোধীদের, রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X, Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)