অয়ন ঘোষাল: পুরভোটে বিজেপির প্রার্থী থেকে জয় নিয়ে অকপট রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। একইসঙ্গে তাঁর আক্রমণের নিশানায় বামেরা। কটাক্ষ করলেন সিজেপির কলকাতায় মিছিলকেও। পাশাপাশি মদন মিত্রের কথাকেও আমল দিতে নারাজ দিলীপ ঘোষ।
বিজেপি যেমন পুরভোটের মিটিং করছে, তেমনি বিরোধী শিবিরও মিটিং করছে। কিন্তু সকলেই বলছে আলাদা প্রার্থী দেবে। বিজেপির কি সুবিধা হবে?
যদি আলাদাই প্রার্থী দেবে তাহলে মিটিং করে কি লাভ? বিজেপির সুবিধার ব্যাপার নেই। ওরা তো লড়েছিল একসঙ্গে! বিজেপি জিতেছে বিধানসভা নির্বাচনে। তো কর্পোরেশন এবং মিউনিসিপালিটি ইলেকশনেও সেম রেজাল্ট হবে। কারণ জনতা দেখেছে এদের দায়িত্ব দিয়ে লুটপাট ছাড়া কিছুই করেনি। লোকে উন্নয়ন চাইছে। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি চাইছে। আর সেটা বিজেপি দিতে পারে।
তৃণমূল নেত্রীর ছেলে, তৃণমূল নেতার ভাই বউ! এরকম অনেকেই নাকি প্রার্থী হতে চলেছে বিজেপির!
দেখুন অনেক কিছু রটনা চলে। ঘটনা কি সেটা তো হওয়ার পরে বোঝা যাবে। ভারতীয় জনতা পার্টির কাছে লোকের এত অভাব নেই.... যে সব বাইরে থেকে নিয়ে আসতে হবে। একসময় দরকার ছিল আমরা নিয়েছি। এখন আমাদের কার্যকর্তারা বহু বছর কাজ করছেন। তাদের অভিজ্ঞতা হয়েছে। তাদের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি জনতা পছন্দ করে। সেদিকে আমরা নজর রাখবো।
আজ শিলিগুড়িতে অশোক ভট্টাচার্যের মিছিল; বইয়ের উপর আক্রমণের প্রতিবাদে!
কমিউনিস্টদের সাহিত্য পাগল ছাড়া কেউ পড়ে না। আর পাগলে পড়াশোনা করে না আমরা জানি। এসব কন্ট্রোভার্সি করে মিডিয়ায় থাকার চেষ্টা করবেন না, লোক আপনাদের যে পুরস্কার দিয়েছে, সেটা নিয়ে থাকুন। এখন ছটপট করে কি উনি ভাবছেন, যে টিএমসি নেই কেউ নেই ফাঁক গলে কিছু করব? কোনও চান্স নেই। আপনাদের সুযোগ অনেক আগেই চলে গেছে। ১৫ বছর আগেই আপনার কথা লোকে ভুলে গেছে। গতবারে জিরো ছিল, এবার বিধানসভায় বউনি করেছে। তো সেটাই মাথায় রাখুন যে বিজেপি কী করেছে না করেছে। আমরাও ১০০ বছর তপস্যা করেছি, এখানে দেখেছে লোকেরা। তারপর লোকে আমাদের গ্রহণ করেছে আর আমরা এখন পরীক্ষা দিচ্ছি, আগামী দিনেও পরীক্ষা দেব।
কলকাতায় আজ সিজেপির মিছিল
দিল্লিতে যখন এসব চলছিল; তখন কলকাতায় প্রস্তুতি চলছিল। বহু টাকা এসেছে। কার হাত দিয়ে টাকা এসেছে সব জানে, সরকারের কাছে খবরও আছে। বেশি বাড়াবাড়ি করলে তার রাস্তা খোলা আছে। জেলের দিকে যাওয়ার। তো সেজন্য উৎপাত করে কেউ কিছু করতে পারবে না। আমি জানি যখন আপ পার্টি তৈরি হলো সারা বাংলায় অন্যান্য রাজ্যেও খুব উৎপাত হয়েছিল। কিছু লোক থাকে সুযোগ সন্ধানে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কারণ টাকা পয়সা প্রচুর পায়। তাতে কিছু হয়নি। তারা তলিয়ে গেছে। এরাও যেটা করতে চাইছে এখানকার মানুষ কিছুতেই এটা সহ্য করবে না। এই ধরনের উৎপাত সরকারও সহ্য করবে না।
পুরভোট আসছে বলেই কি সিজেপির তৎপরতা কলকাতায়!
পুরভোটে এইসব করে কোনও লাভ হয় না। একটা ভ্যাকেন্সি তৈরি হয়েছে রাজনীতির। সেটাকে নেওয়ার চেষ্টা করছে সবাই। সে কমিউনিস্ট হোক বা ওরা(সিজেপি) হোক। দরকার হলে সবাই একসঙ্গে মিলে যাবে, যেটা দিল্লিতে হয়েছে। কিন্তু মানুষ সবার চরিত্র জানে। তারা পরীক্ষা না করে কাজের সুযোগ দেবেন না।
কুণাল ঘোষের বক্তব্য হচ্ছে, দিল্লিতে ইন্ডিজোটের পর কলকাতাতেও পুরভোট জোট। দেশে জোট আছে কলকাতা পুরসভায়ও থাকতে পারে!
কুণাল ঘোষ কার স্পোকসম্যান? টিএমসির তো স্পোকসম্যান নেই, উনার পেছনে পার্টিই নেই কয়জন প্রতিনিধি আছেন! কয়জন এমপি, এমএলএ আছেন? উনি বড় বড় কথা বললে কে শুনবে? উনি তো ঠিকা নিয়ে বসে আছেন, রাজীব গান্ধীরও স্পোকসম্যান হয়ে গেছেন, রাহুল গান্ধীরও! এটা হয় না । তো সেজন্য উনি বলছেন বলুন। উনার অভ্যাস আছে রোজ সকালবেলা কিছু বলা, বলুন। আপনাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। পশ্চিম বাংলার রাজনীতিতে এর কোনও গুরুত্ব নেই।
মদন, শিউলির পর আর কে? মমতা কি দরজা খুলবেন?
জনতার হাতে ছেড়ে দিন। ওদের হাতে ছেড়ে দিন। দিল্লিতে এমপিরা ঠিক করতে পারছেন না কোন দলে যাবেন? এখানকার এমএলএ-রাও তাই হয়েছে। একটা বিচারধারাহীন আদর্শহীন দল কেবল সুযোগসন্ধানীদের দল, বেশিদিন চলে না। ডাকাতদলের মত চলছে। ডামাডোল এদিক ওদিক করে। এর কোনও অস্তিত্ব নাই! কোনও ভবিষ্যৎ নাই।
রাতে ফেসবুক লাইভে মদনের ভোলবদল!
কোন সময় বলেছেন! সেটাও তো একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার! উনি কখন কী বলেন, সে অনুযায়ী লোকে হিসাব কিতাব করে। সময়টা গুরুত্বপূর্ণ! কী বলছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, প্রশ্ন সেটা হচ্ছে।
এসআরএফটিআইতে দেখা যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। খাবার দাওয়ার সরবরাহ করা হচ্ছে না। ওয়াইফাই বন্ধ করা হয়েছে।
যারা ওখানে আন্দোলন নামে উৎপাত করেছে, ওখানকার যারা প্রফেসর আছেন বা পরিচালক আছেন তাদের সঙ্গে যে ব্যবহার করেছে তার জন্য ওখানকার যারা আছেন কর্তৃপক্ষ তারা সেটার ব্যবস্থা নেবেন। তারা চিন্তাভাবনা করছেন তাদের হাতে পরিচালনার দায়িত্ব আছে। ব্যাপারটা তাদের হাতেই ছাড়ুন।
চোরবাগানে বিসর্জনের প্রস্তুতি, আরও একজন গ্রেপ্তার
ইনকোয়ারি শুরু হয়ে গেছে চোরবাগান নিয়ে। সরকার পুরো গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টা বিচার করছে। ইনকোয়ারির রেজাল্ট কী আসে সেটা দেখা উচিত। আর পুজোর বিসর্জনের জন্য মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী যে সময় দিয়ে দিয়েছেন তার মধ্যে সবাইকে করতে হবে।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X, Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)