বদলের বাংলায় ডাল-ভাত নয়! মিড-ডে মিলে একথালা গরম গরম চিকেন বিরিয়ানি, পড়ুয়াদের পুজোর সারপ্রাইজ
Chicken biryani Mid Day Meal: মিড ডে মিলের পাতে দুপুরে একথালা গরম গরম ধোঁয়া ওঠা চিকেন বিরিয়ানি পেয়ে আপ্লুত ছাত্ররা। শিক্ষকরা নিজেরাই চাঁদা তুলে বিরিয়ানি বানিয়েছেন চিকেন বিরিয়ানি।
দেবব্রত ঘোষ: স্কুলের মিড ডে মিলে চিকেন বিরিয়ানি। ভাবতে অবাক লাগলেও সত্যি।ব্যাঁটরা মধুসূদন পাল চৌধুরী স্কুলে আজ প্রায় আড়াইশো জন ছাত্রকে চিকেন বিরিয়ানি খাওয়ানো হল। মিড ডে মিলে পাতে চিকেন বিরিয়ানি পেয়ে খুশি ছাত্ররাও।
ব্যাঁটরা মধুসূদন পাল চৌধুরী স্কুলে গত ২৯ সেপ্টেম্বর এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ছাত্রদের সাথে একসাথে বসে মিড ডে মিলের খাবার খেয়েছিলেন তিনি। পরের দিন উপহার হিসাবে মাছ ও মিষ্টিও পাঠিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই ভুমিকায় অনুপ্রাণিত হয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। সেই থেকেই পুজো উপলক্ষে পড়ুয়াদের মিডে ডে মিলে চিকেন বিরিয়ানি খাওয়ানোর ভাবনা। পুজোর মুখে আজ ছাত্রদের খাওয়ানো হল চিকেন বিরিয়ানি।
শিক্ষকরা নিজেরাই চাঁদা তুলে বিরিয়ানি বানিয়েছেন। মিড ডে মিলের পাতে দুপুরে গরম গরম ধোঁয়া ওঠা চিকেন বিরিয়ানি পেয়ে আপ্লুত ছাত্ররা। একেবারে চেটেপুটে বিরিয়ানি সাবাড়। প্রধান শিক্ষক তন্ময় চক্রবর্তী বলেন, স্কুল হল আরেকটা পরিবার। সেখানে ছাত্ররা পড়াশোনার পাশাপাশি আনন্দ করবে, ভালো থাকবে, এটাই লক্ষ্য। আর তাই এই ছোট্ট উদ্যোগ।
তিনি আরও বলেন, তাঁদের লক্ষ্য একটাই স্কুলকে আনন্দমুখর করে তোলা। পড়ুয়াদের আরও একটু আনন্দ দেওয়া। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগ তাঁদের বাড়তি অনুপ্রেরণা দিয়েছে। বর্তমানে বাংলা মিডিয়াম অনেক স্কুল যখন ধুঁকছে, কমে আসছে ছাত্রসংখ্যা, তখন স্বাভাবিকভাবেই হাওড়ার ব্যাঁটরার এই স্কুল একেবারেই ব্যতিক্রমী। বদলের বাংলায় এক ব্যতিক্রমী উদাহণ।
আরও পড়ুন, মিড-ডে মিলে মাছ আর রসগোল্লা! হাওড়ার স্কুলে মুখ্যমন্ত্রীর নজিরবিহীন ‘উপহার’