SOCIAL MEDIA

Newsletter

PARTNER SITES
Select Language Select State

গাইঘাটার পর এবার ধুলিয়ান, এনকাউন্টারে নিহত বিজেপি নেতা খুনে অভিযুক্ত সামাউল

Dhulian Encounter: মূল অভিযুক্ত পুলিসের সঙ্গে থাকা অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে এবং সেই সময় পালটা পুলিসের তরফে গুলি করা হয়

Reported By Sekender Abu Zafar Written By Sekender Abu Zafar
Published: Oct 27, 2026, 05:04 PM IST | Updated: Oct 27, 2026, 05:37 PM IST
Image Credit: ধুলিয়ান এনকাউন্টার
Join

পিয়ালি মিত্র ও সোমা মাইতি: গাইঘাটাকাণ্ডের পর রাজ্যে ফের এনকাউন্টার। ১২ ঘণ্টায় দ্বিতীয় এনকাউন্টারের ঘটনা রাজ্যে। এবার মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে। পুলিসের গুলিতে নিহত বিজেপি নেতা খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সামাউল সেখ। পুলিসের দাবি, খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময়ে সামাউল পুলিসের অস্ত্র ছিনিয়ে গুলি চালানোর চেষ্টা করে। পুলিসের পাল্টা গুলিতে নিহত হয় সামাউল।

গত আগস্ট মাসের ২৮ তারিখের ঘটনা। নিখোঁজ হয়ে যান বিজেপি কর্মী সুজিত মণ্ডল। পরে তার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনায় পুলিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। মুখ্যমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একাধিক পুলিস কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী সেখানে গিয়েছিলেন এবং যাবার পর সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সিআইডি তদন্তকারী অফিসাররা আজকে অভিযুক্তকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। অভিযোগ, মূল অভিযুক্ত পুলিসের সঙ্গে থাকা অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে এবং সেই সময় পাল্টা পুলিসের তরফে গুলি করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন-বারুইপুর রিটার্নস! গ্রেফতারের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গাইঘাটাকাণ্ডে এনকাউন্টার প্রহ্লাদের, ঠিক কী ঘটেছিল?

উল্লেখ্য, আজ মঙ্গলবার ইন্সপেক্টর অশোক পাল(আইও), ইন্সপেক্টর খালিকুজ্জামান ও ডিএস মুর্শিদাবাদ সামাউল হককে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মানের জন্য ধুলিয়ান বাজারে যান। পুলিস সূত্রে খবর, দুপুর পৌনে তিনটে নাগাদ ইন্সপেক্টর খালিকুজ্জামান ও ডিএস যখন খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ করছিলেন সেইসময় পুলিসের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু করে দেয়। পাশাপাশি পুলিসের অস্ত্র ছিনিয়ে ডিএস মুর্শিদাবাদকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দেয়। সেইসময় কোনও কোনও উপায় না দেখে ইন্সপেক্টর খালিকুজ্জামান সামাউলকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুরুতর আহত অবস্থায় সামাউলকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

ওই ঘটনা নিয়ে বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, হচ্ছেটা কী! ধর্ষণ ও খুনের ক্ষেত্রে যারা অভিযুক্ত তাদের সমাজে বেঁচে থাকার অধিকার নেই। কিন্তু এই মৃত্যুদণ্ডটা আইন দেবে, পুলিস আইনের সাহায্য নিয়ে দেবে? পুলিস সেইমত ব্যবস্থা নিক না! তাড়াতাড়ি তদন্ত, তাড়াতাড়ি বিচার। এটা হচ্ছেটা কী! পুলিস এত দুর্বল! যেখানেই রিকন্সট্রাকশনে যাচ্ছে পুলিসে সেখানেই তার রিভালবার ছিনিয়ে নিচ্ছে অভিযুক্ত! এই গল্পের কোনও মানে আছে? পুলিস এত দুর্বল! বিচারটা আইনের মধ্যে থেকে হোক। এই এনকাউন্টারের তো অপব্যবহার হতে পারে। নির্দোষ লোকের উপরে কেউ এনকাউন্টার করে দিতে পারে। 

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X, Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)

Add Zee News as a Preferred Source
TAGS:

About the Author

প্রিন্ট মিডিয়া দিয়ে শুরু। বর্তমানে ডিজিটালে। সবেমিলিয়ে প্রায় দু'দশক। রাজনীতি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ক্রাইম, ক্রীড়া, ইতিহাস, ফিচার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ লেখালেখিতে বিচরণ।

ZEENEWS TRENDING STORIES