জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: রেজিনগরে চতুর্থ রাউন্ড ভোটগণনার পরে দেখা যাচ্ছে, বিজেপি সেখানে এগিয়ে ৩১৮৯০ ভোটো! এদিকে নন্দীগ্রামে প্রথম রাউন্ডের পরে বিজেপি ৯০০০-এরও বেশি ভোটে এগিয়ে। এই দুই আসনেই বিজেপির জয়জয়কার কথা ছিল। সেটাই হচ্ছে। আজ, শুক্রবার সকাল থেকেই রাজনৈতিক মহলের নজর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোটের ফলাফলের দিকেই!
মুখ্যমন্ত্রী ভোটার
বিরোধীদের ধরাশায়ী করে এই দুটি আসনেই বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হতে চলেছে বিজেপি-- এমন ধারণা ছিল বাংলার রাজনৈতিক মহলে। গত ৬ অক্টোবর ছিল পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম এবং মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে উপনির্বাচন। যার ফল ঘোষণা আজ। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে সেদিন প্রথমবার ভোটার হিসাবে ভোট দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র
নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের সাম্প্রতিক অতীতের ছবিটা এরকম: নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছিলেন ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৩০১টি ভোট। তৃণমূল কংগ্রেসের পবিত্র কর পেয়েছিলেন ১ লক্ষ ১৭ হাজার ৬৩৬টি ভোট। ভোটের ফলাফল একনজরে:
বিজয়ী: শুভেন্দু অধিকারী (বিজেপি)
প্রাপ্ত ভোট: ১,২৭,৩০১
ভোটের হার: ৫০.৫৬ শতাংশ
প্রতিদ্বন্দ্বী: পবিত্র কর (তৃণমূল কংগ্রেস)
প্রাপ্ত ভোট: ১,১৭,৬৩৬
ভোটের হার: ৪৬.৭ শতাংশ
জয়ের ব্যবধান: ৯,৬৬৫ ভোট
নোটা (NOTA): ৯১৯ ভোট
মোট ভোটার: ২,৬৬,৪১৫
বৈধ ভোটের সংখ্যা: ২,৫১,৮০৩
সামগ্রিক ভোটদানের হার: ৯৪.৫ শতাংশ
এই প্রেক্ষিতে গত ৬ অক্টোবর ভোট হয়। এবং আজ তার ফল প্রকাশিত হচ্ছে।
রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্র
রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের সাম্প্রতিক অতীতের ছবিটা ছিল এরকম: রাজনৈতিক দল: আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (AJUP), তাদের প্রাপ্ত ভোট: ১,২৩,৫৩৬ (৫১.৬২% ভোট শেয়ার);
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (দ্বিতীয় স্থান): বাপন ঘোষ, রাজনৈতিক দল: ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) প্রাপ্ত ভোট: ৬৪,৬৬০ (২৭.০২% ভোট শেয়ার)। তৃতীয় স্থান: আতাউর রহমান রাজনৈতিক দল: অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস (AITC), প্রাপ্ত ভোট: ৪১,৭১৮ (১৭.৪৩% ভোট শেয়ার)। জয়ের ব্যবধান: হুমায়ুন কবীর তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থীকে ৫৮,৮৭৬ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন। এই প্রেক্ষিতে গত ৬ অক্টোবর ভোট হয়। এবং আজ তার ফল প্রকাশিত হচ্ছে।
সংখ্যালঘু ভোটের ছবি
সংখ্যালঘু বুথগুলিতে সব থেকে খারাপ অবস্থা তৃণমূলের। সেখানে কংগ্রেস ৭০ বা ১০০ টা করে ভোট পেলেও মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস এবং গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস সেইগুলিতে ৮ অথবা ১০ টি করে ভোট পেয়েছে। সব থেকে খারাপ অবস্থা গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের। তাদের ঝুলিতে ২ থেকে ৩টি করে ভোট জুটেছে। সিপিএমের রক্তক্ষরণ স্বাভাবিকভাবেই বজায় রয়েছে। তবে একদা যেটা ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের গড়, সেটা ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। বুথের তথ্য অনুযায়ী, এখন সংখ্যালঘু এলাকায় গণনা চলছে। কিন্তু সেখানেই বেহাল অবস্থা রাজ্যের বিগত শাসকদলের।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)