ই গোপী: ইতিহাস গড়তে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা! খড়্গপুর দশেরা উৎসব কমিটির রাবণবধ দেখতে সমবেত হবেন লক্ষাধিক মানুষ। বাংলা, ওড়িশা-সহ পার্শ্ববর্তী রাজ্য বিহার থেকেও প্রচুর মানুষের সমাগমের সম্ভাবনা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ এক লক্ষ মানুষের কণ্ঠে হনুমান চালিশা পাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হবে অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভ শক্তির সূচনার বার্তা।
দিলীপের হাতে রাবণবধ
রাম, সীতা, লক্ষ্মণ ও হনুমানকে সঙ্গে নিয়ে রথে চেপে আসবেন রামচন্দ্র। দিলীপ ঘোষের হাত ধরে সম্পন্ন হবে রাবণ বধ অনুষ্ঠান। থাকছে বাজি পোড়ানোর উৎসব। আকাশ জুড়ে রংবেরঙের আতশবাজির প্রদর্শনী হবে। গোটা অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার নজরদারি রাখতে এই প্রথমবার রাবণ ময়দানে বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। সকাল থেকেই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত উদ্যোক্তারা।
অশুভের বিনাশ
দশেরার দিনে অশুভ শক্তির বিনাশ। অসত্যের উপর সত্যের বিজয়ের প্রতীক এই দিনটি। তার প্রতীক হিসেবে এদিন রাবণদহন উৎসব পালিত হয়। কেন পোড়ানো হয় রাবণকে? অহংকার, লোভ, ক্রোধ এবং অন্যায়ের প্রতীক হিসেবে পোড়ানো হয় রাবণের পুত্তলিকা।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, সূর্যাস্তের নিকটস্থ সময়কে প্রদোষ কাল বলা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস, এই বিশেষ সময়টি পুজো-অর্চনা এবং বিশেষ আচার-অনুষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত শুভ সময়। দশেরায় রাবণদহনের ক্ষেত্রেও এই সময়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রচলিত বিশ্বাস, প্রদোষকালে রাবণের কুশপুতুল পোড়ালে অধর্মের উপর ধর্মের জয়কে যথাযথ ভাবে উদযাপন করা যায়। তাই সূর্যাস্তের কাছাকাছি সময়েই রাবণ দহনের আয়োজন করা হয়।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)