সৌরভ চৌধুরী: গ্রেফতার তৃনমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর। পুরুলিয়ার গোপীবল্লভপুর এলাকার এবারের তৃনমূলের প্রার্থী অজিত মাহাত। ঝাড়গ্রাম আদালতে তোলা হলে ৮দিনের পুলিসি হেফাজত হয় তাঁর। বেআইনি ইনগোট কারখানার জমি জালিয়াতির মূল মাধ্যম ছিলেন অজিত মাহাত। সরকারি জমি অধিগ্রহন করে বেআইনি ভাবে তা হস্তান্তর এর অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। ঐ কারখানার টাকায় এবং ক্যামাক স্ট্রিট এর বদান্যতায় ২০২৬ গোপীবল্লভপুর এর বিধায়ক হিসেবে দাঁড়ায় এবং হারে। সরকারি জমি বিক্রি, এলাকায় দুর্নিতী, তোলা আাদায়, তোলাবাজি, মহিলাদের সঙ্গে অশালীন ব্যবহার-সহ একাধিক অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে।
সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে ১০ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন মমতা ঘনিষ্ঠ এই তৃণমূল নেতা অজিত মাহাত। এছাড়াও, সুদে খাটানো টাকা আদায় এর নামে বিপুল টাকা আত্মসাৎ, হুমকি, আটকে রাখা, সরকারি জমি বিক্রি, খুনের হুমকি-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
বন দপ্তরে স্থায়ী সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক বেকার যুবকের কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন তিনি।
ঝাড়গ্রামের বাছুরডোবা এলাকার বাসিন্দা সজল দাস (২৪), পিতা লক্ষ্মীকান্ত দাস, ঝাড়গ্রাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত অজিত মাহাত, নিজের রাজনৈতিক প্রভাব এবং রাজ্য সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ থাকার দাবি করে অভিযোগকারীকে বন দফতরে স্থায়ী সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন।
সেই প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করে অভিযোগকারী ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে চার দফায় মোট ১০ লক্ষ টাকা অভিযুক্তকে প্রদান করেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হলেও অভিযুক্ত চাকরির ব্যবস্থা করেননি এবং টাকা ফেরতও দেননি বলে অভিযোগ।
অভিযোগকারীর দাবি, টাকা ফেরত চাইতে গেলে অভিযুক্ত তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং অতিরিক্ত আরও ২ লক্ষ টাকা দাবি করেন। এছাড়াও সুদে টাকা খাটানোর নামে জোর করে বিপুল টাকা আদায়, মারধর, সাদা স্ট্যাম্প পেপারে সই করিয়ে নেওয়া, আটকে রাখার অভিযোগ। বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে ছেলেকে মারধর বাঁচাতে গেলে বাবাকেও মারধর। পুলিসে অভিযোগ করতে গেলে পাল্টা বাবা এবং ছেলেকে গ্রেফতার করে পুলিস।