জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: গত আইএসএলে ছয়ে শেষ করেছিল পাঞ্জাব এফসি। এবার যে ছবিটা একেবারেই অন্যরকম হতে চলেছে তা গত ম্যাচেই বুঝিয়ে দিয়েছিল পাঞ্জাব। টাইব্রেকার জোড়া পেনাল্টি সেভ। সবুজ-মেরুন 'জার্সি'তে ফের নায়ক সেই বিশাল কাইথ। পাঞ্জাব এফসিতে হারিয়ে আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে মোহনবাগান। সেই বিশাল কাইথ। টাইব্রেকারে চোখ বন্ধ করে তাঁর উপর ভরসা করা যায়। বার বার ভরসার দাম দেন তিনি
এখন মোহনবাগানের কোচ, একসময়ে তিনিই ছিলেন পাঞ্জাবের কোচ। পুরনো দলের বিরুদ্ধে আলবের্তো, দ্রাজিচ, সমির জেলকোভিচ ও লি ইরউইনকে নামিয়ে দিয়েছিলেন পানাজিয়োটিস দিমপেরিস। কিন্ত তাতেও লাভ কিছু হয়নি। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে খেলা গোলশূন্য। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও গোলে মুখ খুলতে পারল মোহনবাগান। গোল করতে ব্যর্থ পাঞ্জাব। শেষে ম্য়াচ গড়াল টাইব্রেকারে। পাঞ্জাবের দুটি শট আটকে মোহনবাগানকে কার্যত একার হাতেই ফাইনালে তুলে দিলেন বিশাল কাইথ। উল্টোদিকে ৪ শটেই গোল করলেন মোহনবাগানের ফুটবলাররা।
এর আগে, ম্যাচে ৩৭ মিনিটে মোহনবাগানের পথ রোধ করেন বিশাল। আলবের্তোর পায়ে লেগে বল দিক পরিবর্তন করেছিল। গোলকিপার সজাগ না থাকলে গোল হতে পারত। সুযোগ এসেছিল মোহনবাগানের কাছেও। জেলকোভিচের ক্রসে ছাংতের শট কোনওমচে বাঁচান পাঞ্জাবের গোলকিপার।
দ্বিতীয়ার্ধে কোলাসোর বদলে নামেন মিগুয়েল। গোলকিপার বদল করে পঞ্জাবও। অর্শদীপকে বদলে মুহিত। খেলায় কোনও হেরফের হয়নি। একই ফুটবল অব্যাহত থাকে দ্বিতীয়ার্ধেও। গোল লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি কয়েকটা শট ছাড়া কিছুই বলার নেই। এরইমধ্যে নির্ধারিত সময়ে শেষ লগ্নে ৮৫ মিনিটে মিগুলেয়ের ফ্রিকিক থেকে গোল করে ফেলেছিলেন শুভাশিষ বোস। কিন্তু অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
সোমবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে নর্থ ইস্টের বিরুদ্ধে নামবে ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদ যদি আলাদিনদের হারাতে পারে, তাহলে ফের শিল্ড ফাইনালে ডার্বি দেখবে কলকাতা। এর আগে গত অগস্টে ডুরান্ড কাপ ফাইনালেও মুখোমুখি হয়েছিল দুই প্রধান। তবে এডমুন্ড লালরিন ডিকার হ্যাটট্রিকের সৌজন্যে মোহনবাগানকে দুর্মুশ করেছিল ইস্টবেঙ্গল।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)