লাল পাড় সাদা শাড়ি ও শাঁখা-পলায় সেজে তাঁরা দেবীকে সিঁদুর পরিয়ে বিদায় জানান এবং একে অপরকে রাঙিয়ে দেন। মায়ের বিদায়ের বিষাদের মধ্যেও ঢাকের তালে নাচ ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে তাঁরা বিজয়ার আনন্দ ভাগ করে নেন।
Durga Puja: মেমারির আনন্দপল্লীতে দশমীর পর সিঁদুর খেলা শুরু হয়। লাল-সাদা শাড়িতে সেজে মহিলারা দেবীকে সিঁদুর পরান। পরে একে অপরকে সিঁদুর দিয়ে বিজয়ার শুভেচ্ছা জানান।
1/7
একান্নবর্তীর মহিলারা
অরূপ লাহা: বিষাদের সুরে সিঁদুর খেলা, ঢাকের তালে মাতলেন পূর্ব বর্ধমানের একান্নবর্তীর মহিলারা। দশমীর পুজো শেষ হতেই সিঁদুর খেলায় মাতলেন পূর্ব বর্ধমানের মেমারির আনন্দপল্লী নাথপুকুর পাড়ের একান্নবর্তীর মহিলারা।
2/7
উৎসবের আবহ
মায়ের বিদায়বেলায় একদিকে যেমন ছিল বিষাদের সুর, অন্যদিকে তেমনই আনন্দ আর উৎসবের আবহ। লাল পাড় সাদা শাড়িতে সেজে, ঢাকের তালে নেচে এবং একে অপরকে সিঁদুরে রাঙিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানালেন তাঁরা।
3/7
ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা
দশমীর ঘট বিসর্জনের পর একান্নবর্তীর পুজো প্রাঙ্গণে শুরু হয় মহিলাদের ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা। প্রথমে দেবী দুর্গাকে সিঁদুর পরিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানান তাঁরা।
4/7
সিঁদুর অর্পণ
এরপর মায়ের চরণে সিঁদুর অর্পণ করে সেই সিঁদুরে একে অপরের সিঁথি ও মুখ রাঙিয়ে দেন। দু'হাতে শাঁখা-পলা, কপালে লাল টিপ, সিঁথিভরা সিঁদুর আর পরনে লাল পাড় সাদা শাড়ি—সব মিলিয়ে উৎসবের রঙে সেজে ওঠে গোটা পুজো প্রাঙ্গণ।
5/7
ঢাকের তালে নাচে গানে
মায়ের বিদায়ের মুহূর্তে মন ভারাক্রান্ত হলেও ঢাকের তালে নাচে গানে আনন্দে মেতে ওঠেন মহিলারা। একে অপরকে সিঁদুর পরিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে ভাগ করে নেন বিজয়ার আনন্দ। আবেগ, উচ্ছ্বাস আর পারস্পরিক সম্প্রীতির মেলবন্ধনে দশমীর এই বিশেষ মুহূর্ত হয়ে ওঠে স্মরণীয়।
6/7
রীতির ব্যতিক্রম হল না
বছর বছর ধরে বাঙালির দুর্গোৎসবের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে সিঁদুর খেলার এই ঐতিহ্য। আনন্দপল্লী নাথপুকুর পাড়ের একান্নবর্তীর পুজোতেও সেই চেনা রীতির ব্যতিক্রম হল না।
7/7
বিষাদকে সঙ্গী করেই সিঁদুরের রঙে
মাকে বিদায় জানানোর বিষাদকে সঙ্গী করেই সিঁদুরের রঙে, ঢাকের তালে এবং বিজয়ার শুভেচ্ছায় মেতে উঠলেন মহিলারা। দুর্গাপুজোর শেষলগ্নে এই দৃশ্য যেন আরও একবার মনে করিয়ে দিল বাঙালির উৎসবের আবেগ, ঐতিহ্য ও মিলনমেলার কথা।