নয়ডার প্রবাসে বাংলার খাঁটি স্বাদ ও সুর! নয়ডা সেক্টর-১০৭-এর 'গ্রেট ভ্যালু শরণম'-এর সার্বজনীন পুজো অ্যান্ড কালচারাল সমিতি এবার পা দিল চতুর্থ বর্ষে। থিম-"চলচ্চিত্রে নারীশক্তি"
রাজীব চক্রবর্তী: বাংলা থেকে আসা ঢাকীর দল ও রাঁধুনিদের হাতের বিশেষ ভোগের খিচুড়ি, সঙ্গে সপ্তমীর সন্ধ্যায় খুদেদের অসাধারণ 'বাল্মীকি প্রতিভা' নাটক—সব মিলিয়ে জমজমাট নয়ডা সেক্টর-১০৭-এর 'গ্রেট ভ্যালু শরণম'-এর সার্বজনীন পুজো অ্যান্ড কালচারাল সমিতির দুর্গাপুজো।
1/7
শরণম দুর্গাপুজো
রাজীব চক্রবর্তী: নয়ডার সেক্টর-১০৭-এর ‘গ্রেট ভ্যালু শরণম’ আবাসন চত্বরে এখন শারদোৎসবের রঙিন পরিবেশ। সৌজন্যে— ‘সার্বজনীন পুজো অ্যান্ড কালচারাল সমিতি’।
2/7
চতুর্থ বর্ষে
মাত্র কয়েকজন উদ্যোগী বাঙালি বাসিন্দার হাত ধরে যে পুজোর সূচনা হয়েছিল, চতুর্থ বর্ষে পদার্পণ করে তা আজ শুধু কয়েকটি পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; হয়ে উঠেছে সব ধর্মের, সব ভাষার মানুষের এক মহা মিলনমেলা।
3/7
থিম
তাঁদের এবারের পুজোর মূল থিম— ‘চলচ্চিত্রে নারীশক্তি’। ভারতীয় সিনেমার রূপালী পর্দায় সময়ের সাথে সাথে নারী চরিত্রের পরিবর্তন ও নারীশক্তির যে বিকাশ ঘটেছে, তাকেই সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জা ও ভাবনায়।
4/7
বাঙালিয়ানা
মণ্ডপ দিল্লিতে হলেও উৎসবের আমেজ কিন্তু খাঁটি বাংলার! পুজোর আমেজকে নিখাদ রাখতে সরাসরি বাংলা থেকে আনানো হয়েছে ঢাকিদের। তাঁদের বাদ্যির বোলে মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো আবাসন।
5/7
ভোগের আয়োজন
শুধু তাই নয়, উৎসবের দিনগুলোতে খাঁটি বাঙালি খাবারের স্বাদ জোগাতে বাংলা থেকে এসেছেন প্রথাগত রাঁধুনিরাও। বিশেষ করে এখানকার ভোগের খিচুড়ি যেন এক পরম আকর্ষণ।
6/7
সপ্তমীর আরতি
সপ্তমীর সন্ধ্যায় ধূপ, ধুনো আর প্রদীপের আলোয় দেবী প্রতিমার মহামায়াময় আরতি দিয়ে শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। ঢাকের তোড়জোর আর আবাসনবাসীদের উলুধ্বনিতে চারপাশ এক মায়াবী পরিবেশ তৈরি করে।
7/7
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
উৎসবের আমেজকে আরও গাঢ় করতে সপ্তমীর সন্ধ্যায় আয়োজন করা হয়েছিল এক জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। যেখানে সবচেয়ে বড় চমক ছিল খুদে শিল্পীদের পরিবেশনায় ‘বাল্মীকি প্রতিভা’। ছোট ছোট শিল্পীদের নিখুঁত পরিবেশনা উপস্থিত সমস্ত দর্শককে মুগ্ধ করে। কয়েকটি পরিবারের প্রয়াস কীভাবে পুরো আবাসনের প্রাণের উৎসবে পরিণত হতে পারে, নয়ডার সেক্টর-১০৭-এর গ্রেট ভ্যালু শরণমের এই দুর্গাপুজো তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।