Nana Patekar Personal Life: স্ত্রী নীলকান্তির সঙ্গে থাকতেন আলাদা, তবু আইনি বিচ্ছেদ হয়নি! নানা পাটেকরের ব্যক্তিগত জীবনের গল্প
বলিউডে তাঁর পরিচয় ছিল এক দাপুটে অভিনেতা হিসেবে। কিন্তু পর্দার বাইরের নানা পাটেকরের জীবন ছিল অনেক বেশি সাদামাটা, আবার নানান ওঠাপড়াও সঙ্গী । স্ত্রী নীলকান্তি পাটেকরের সঙ্গে সম্পর্ক, সন্তান হারানোর যন্ত্রণা এবং দীর্ঘদিনের আলাদা থাকা, তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের এই অধ্যায়ও কম আবেগের নয়।
1/7
১৯৭৮ সালে নীলকান্তিকে বিয়ে
নানা পাটেকর ও নীলকান্তির পরিচয় হয়েছিল থিয়েটারের সূত্রে। নীলকান্তিও ছিলেন অভিনেত্রী এবং নাট্যকর্মী। সেই পরিচয় ধীরে ধীরে প্রেমের সম্পর্কে গড়ায়। ১৯৭৮ সালে, মাত্র ২৭ বছর বয়সে নীলকান্তিকে বিয়ে করেন নানা। সেই সময় নানা পাটেকরের আর্থিক অবস্থা আজকের মতো ছিল না। থিয়েটারে অভিনয় করে তাঁর উপার্জন হত। একটি শোয়ের জন্য পেতেন ৫০ টাকা। মাসে ১৫টি শো করলে আয় দাঁড়াত প্রায় ৭৫০ টাকা। অন্যদিকে নীলকান্তি তখন ব্যাঙ্কে অফিসার হিসেবে কাজ করতেন এবং তাঁর মাসিক বেতন ছিল ২,৫০০ টাকা।
2/7
বিয়েতে খরচ করেছিলেন মাত্র ৭৫০ টাকা
তারকা হয়ে ওঠার বহু আগেই বিয়ে করেছিলেন নানা। তাই বিয়েতেও ছিল না কোনও জাঁকজমক। নানা নিজেই জানিয়েছিলেন, তাঁদের বিয়েতে মোট ৭৫০ টাকা খরচ হয়েছিল। অতিথিদের জন্য সফট ড্রিঙ্কসের ছোট আয়োজন করতেও খরচ হয়েছিল মাত্র ২৪ টাকা।
3/7
প্রথম সন্তানকে হারানোর যন্ত্রণা
বিয়ের কয়েক বছর পর তাঁদের পরিবারে সন্তান আসে। কিন্তু মাত্র আড়াই বছর বয়সেই বড় ছেলে দুর্বাসের মৃত্যু হয়। এরপর তাঁদের পরিবারে আসে ছেলে মলহার পাটেকর। পুরনো ক্ষততে প্রলেপ যেন। পরবর্তীতে মলহার চলচ্চিত্র নির্মাণ ও পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত হন।
4/7
নীলকান্তিও ছিলেন পুরস্কারজয়ী অভিনেত্রী
অনেকেই হয়তো জানেন না, নানা পাটেকরের স্ত্রী নীলকান্তিও অভিনয় জগতের মানুষ ছিলেন। মারাঠি থিয়েটারে তাঁর কাজের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। ‘আত্মবিশ্বাস’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য ১৯৮৯ সালে মহারাষ্ট্র সরকারের সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পান। বিয়ের পর অবশ্য দীর্ঘদিন অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন এবং পরিবারের দিকে বেশি মন দেন।
5/7
৩৫ বছর আলাদা থেকেও হয়নি ডিভোর্স
সময় গড়ানোর সঙ্গে নানা ও নীলকান্তির সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়। প্রায় ৩৫ বছর ধরে আলাদা থাকতেন। তবে তাঁদের মধ্যে কখনও আইনি বিচ্ছেদ হয়নি। আলাদা থাকলেও তাঁরা আইনত স্বামী-স্ত্রীই ছিলেন। নানাই বলেছিলেন, দু’জনের স্বভাব ও চিন্তাভাবনায় পার্থক্য থেকেই দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। কিন্তু তাঁর নীলকান্তির অবদানও এড়িয়ে যাননি তিনি।
6/7
মণীষা কৈরালাকে ঘিরে জল্পনা
নানা পাটেকরের নাম একসময় অভিনেত্রী মণীষা কৈরালার সঙ্গেও জড়িয়েছিল। ১৯৯০-এর দশকে একসঙ্গে কাজ করার সময় তাঁদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়। তবে তাঁদের সম্পর্ক যে প্রেমের ছিল, তা প্রমাণিত নয়। ‘অগ্নিসাক্ষী’ ছবির লেখক রণবীর পুষ্পও দু’জনের ঘনিষ্ঠতার কথা বলেন। স্ত্রী-র সঙ্গে দূরত্বের কারণ মণীষা বলেও মনে করেন অনেকে।
7/7
মৃত্যুর পর ফের আলোচনায় ব্যক্তিগত জীবন
বাবাকে হারিয়েছিলেন মাত্র ২৮ বছরে। একসময় পরিবারের আর্থিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয়ে যায় যে মাত্র ১৩ বছর বয়সে স্কুলের পরে প্রায় আট কিলোমিটার হেঁটে গিয়ে সিনেমার পোস্টার আঁকার কাজ করতেন তিনি। মাসে সামান্য টাকা পেতেন, সঙ্গে জুটত একবেলা খাবার।