বেপরোয়া বাইকের ধাক্কায় মৃত্যু হয় রাজগঞ্জ থানার বেলাকোবা ফাঁড়িতে কর্মরত সিভিক ভলান্টিয়ার আজিজুল হকের। বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৪ বছর। বাড়ি বেলাকোবার বাবুপাড়া এলাকায়। বেলাকোবা ও বটতলার মধ্যবর্তী বাবুপাড়া সংলগ্ন এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
3/7
মৃত্যু পুলিসের
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দ্রুতগতিতে আসা একটি বাইক আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আজিজুলকে ধাক্কা মারে বলে অভিযোগ। ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে গুরুতর জখম হন তিনি। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবার, এলাকাবাসী এবং পুলিস মহলে।
4/7
বেলাকোবা ফাঁড়ি
এরপর আজিজুলের মৃতদেহ নিয়ে আসা হয় বেলাকোবা ফাঁড়িতে। সেখানে প্রিয় সহকর্মীকে শেষ শ্রদ্ধা জানান পুলিসকর্মীরা। তারপর তাঁর দেহ নিয়ে যাওয়া হয় বাড়িতে।
5/7
হৃদয়স্পর্শী দৃশ্য
আর সেই শেষযাত্রাতেই দেখা গেল এক হৃদয়স্পর্শী দৃশ্য। যাঁদের অধীনে কাজ করতেন আজিজুল, সেই দুই পুলিস আধিকারিকই তাঁর মৃতদেহ কাঁধে তুলে নিলেন। রাজগঞ্জ থানার আইসি অমিতাভ দাস এবং বেলাকোবা ফাঁড়ির ওসি অরিজিৎ কুণ্ডু সহকর্মীর শেষযাত্রায় কাঁধ দিয়ে জানিয়ে দিলেন শেষ শ্রদ্ধা।
6/7
সহকর্মীর প্রতি ভালোবাসা
কর্মক্ষেত্রে তাঁরা ছিলেন আজিজুলের ঊর্ধ্বতন আধিকারিক। কিন্তু শেষবিদায়ের মুহূর্তে সেই পরিচয় ছাপিয়ে সামনে এল সহকর্মীর প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর মানবিকতার সম্পর্ক।
7/7
পুলিসের মানবিক ভূমিকা
একদিকে দুর্ঘটনায় অকালে প্রাণ হারানো তরুণ সিভিক ভলান্টিয়ারের জন্য শোক, অন্যদিকে দুই পুলিস আধিকারিকের এমন মানবিক ভূমিকা। সব মিলিয়ে আবেগঘন হয়ে ওঠে আজিজুলের শেষযাত্রা।