দুর্গাপুজো শুধু একটি উৎসব নয়, বাঙালির আত্মপরিচয় ও আবেগের প্রতীক। বাংলার বাইরে থেকেও সেই আনন্দ ভাগ করে নেওয়া প্রমাণ করে, দূরত্ব যতই থাকুক, মা দুর্গাকে ঘিরে বাঙালির টান চিরন্তন।
কলকাতা হোক বা দিল্লি, দুর্গাপুজোর আনন্দের ভাষা এক। উৎসবের কয়েকটি দিন প্রবাসের ব্যস্ত জীবনের মধ্যেও বাঙালিকে মনে করিয়ে দেয় নিজের শিকড়, সংস্কৃতি আর ঘরের মানুষের কথা।
1/6
বাংলা ছাড়িয়ে প্রবাসে পুজোর আমেজ!
দুর্গাপুজো মানেই বাঙালির আবেগ, আনন্দ আর শিকড়ের টান। বাংলার বাইরে থেকেও সেই উৎসবের রং ফিকে হয় না। দিল্লির দুর্গাপুজোতেও ধরা পড়ে বাঙালির চেনা উৎসবের ছবি।
2/6
রাজধানীতেও উৎসবের সাজ
দিল্লির বুকে দুর্গাপুজো ঘিরে বাঙালির মিলন। পুজোমণ্ডপের সাজসজ্জা, উৎসবের আয়োজন আর পরিচিত আবহে তৈরি হয় বাংলার বাইরে এক টুকরো নিজের শহরকে খুঁজে পাওয়ার অনুভূতি।
3/6
দেবীবন্দনায় মিলেমিশে যায় আবেগ
মা দুর্গার আরাধনাই দুর্গোৎসবের প্রাণ। বাংলার বাইরে পুজোর আয়োজনেও দেবীর সামনে প্রার্থনা, ভক্তি আর পরিবারের সঙ্গে উৎসব কাটানোর আনন্দ বাঙালিকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।
4/6
পুজো মানেই আপনজনের কাছে আসা
কর্মসূত্রে কিংবা পড়াশোনার জন্য বাংলার বাইরে থাকা বহু মানুষের কাছে দুর্গাপুজো পুরনো বন্ধু, পরিচিত মানুষ আর বাঙালি পরিবারের সঙ্গে দেখা হওয়ার বিশেষ সুযোগ। উৎসব হয়ে ওঠে মিলনের উপলক্ষ।
5/6
বাংলার চেনা সুর, দিল্লির উৎসব
ঢাকের বাদ্যি, শঙ্খধ্বনি আর পুজোর চেনা রীতিনীতি, খাওয়া-দাওয়া- এই সবকিছুই দুর্গোৎসবকে বিশেষ করে তোলে। প্রবাসের মাটিতে সেই ঐতিহ্য ধরে রাখার মধ্যেই রয়েছে বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়ের উদযাপন।
6/6
প্রবাসেও বেঁচে থাকুক বাংলার সংস্কৃতি
নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি এবং দুর্গাপুজোর রীতিনীতি পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রবাসী বাঙালিদের উৎসব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। প্রজন্ম বদলালেও ঐতিহ্যের টান থেকে যায় অমলিন।