শব্দবাজি কম করতে ভারসাম্যের নীতি নিতে হবে, মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের
Firecracker Ban: ধর্মীয় সেন্টিমেন্ট হস্তক্ষেপ করতে চায় না সুপ্রিম কোর্ট। তার পরেও.....
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: দীপাবলিতে বাজি পোড়ানো নিয়ে প্রতিবছরই তুলকালাম হয়। দুষণের কথা টেনে এনে শব্দবাজি বন্ধ করার দাবি তোলেন পরিবেশপ্রেমীরা। বিশেষ করে দিল্লির নাভিশ্বাস ওঠে দীপাবলির সময়। রাজধানীর বাতাসে একিউআই লেভেল উঠে যায় বিপদসীমার অনেক উপরে। এনিয়ে এবার গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট।
সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনের বেঞ্চের তরফে মন্তব্য করা হয়, আদালত কারও ধর্মীয় সেন্টিমেন্টে আঘাত করতে চায় না কিন্তু আতসবাজির কম করতে চায়। এনিয়ে একটি ভারসাম্যের নীতি নিয়ে চলা উচিত।
বেঞ্চের মন্তব্য, 'ধর্মীয় আবেগে আঘাত করব না কিন্তু মানুষেরই স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসা উচিত। গোটা বিষয়টি নিয়ে সবার একটি ব্যালান্স দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন। তবে সমাজ নিজেই সচেতন হয়ে উঠবে।'
দিল্লি--এনসিআর-এ বায়ু দূষণ, নাড়া পোড়ানো নিয়ে একটি সুয়ো মোটো মামলার শুনানি চলছিল সুপ্রিম কোর্টে। আদালতের তরফে বলা হয়, আমরা বারবার বলছি যে মুহূর্তে আপনি কোনও আদেশ বা নিষেধাজ্ঞা জারি করবেন মানুষ সেটিকে এক ধরণের জোরপূর্বক বা দমনমূলক পদক্ষেপ হিসেবে ধরে নেয়। এসসব ক্ষেত্রে আমাদের অত্যন্ত বাস্তববাদি হওয়া উচিত।
আরও পড়ুন-দুর্গাপুজো-দীপাবলি-ছট পুজোয় ১০০ বেশি স্পেশাল ট্রেন চালাচ্ছে রেল, দেখে নিন রুট-সময়সূচি
সওয়াল জবাবের সময় আইনজীবী অপরাজিতা সিং যুক্তি দেন, আতশবাজি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের কোনও অপরিহার্য অঙ্গ নয়। বরং এটি শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের ক্ষতির কারণ হয়ে ওঠে।
ওই সওয়াল শুনে বেঞ্চের তরফে মন্তব্য করা হয়, মানুষকে সচেতন করে তুলতে হবে। বলতে হবে শব্দ বাজি বেশি ক্ষতিকারক। বলতে হবে কোন বাজি কম ক্ষতিকারক। এই ধরণের মানসিকতাকে উৎসাহিত করা উচিত। মানুষকে মূল সংস্কৃতিতে ফিরে যেতে উত্সাহ দেওয়া উচিত। একসময় ফুলঝুরি আর প্রদীপ জ্বালানো হত।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)