জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে আন্দোলন চলছে। এর মধ্যেই স্পেশাল সামারি রিভিশন(SSR) করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। দেশের ১৭ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত রাজ্যগুলিতে ভোটার তালিকায় হবে এই বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন। এটি শুরু হচ্ছে ১ জানুয়ারি ২০২৭।
এসআইআর ও এসএসআর এর মধ্যে তফাতটা কোথায়?
এসএসআর এর অধীনে বর্তমান যে ভোটার লিস্ট রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে। বুথ লেভেল অফিসাররা(BLO) বাড়ি বাড়ি যাবেন। ভোটার লিস্টে নাম ওঠার যোগ্য অথচ যাদের নাম বাদ পড়েছে তাদের চিহ্নিত করবেন। যেসব নামে গোলমাল রয়েছে তা সংশোধন করবেন, মৃত ভোটার ও ডুপ্লিকেট ভোটারদের চিহ্নিত করবেন, যারা অন্য কোথায় চলে গিয়েছেন তাদেরও চিহ্নিত করবেন বিএলওরা।
কোন ফর্ম কীসের জন্য
গত ১৫ অক্টোবরের নির্দেশিকায় নির্বাচন কমিশন বলেছিল, একটি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে, কারও কানও আপত্তি থাকলে তা জানাতে বলতে হবে, ফাইনাল রোল প্রকাশের তাদের সব আপত্তির নিস্পত্তি করতে হবে। এক্ষেত্রে ফর্ম ৬ হল ভোটার তালিকায় নাম তোলা, ফর্ম ৬এ যারা বিদেশে থাকেন, ফর্ম ৭ হল তাকায়ার কোনও আপত্তি ও নাম বাদ দেওয়ার জন্য, আর ফর্ম ৮ হল স্তানান্তিরিত ভোটারদের জন্য। যারা ২০২৭ সালের ১ এপ্রিল, ১ জুলাই ও ১ অক্টোবর ভোটার তালিকায় নাম তোলার যোগ্যতা অর্জন করবেন তারাও আগাম আবেদন করতে পারবেন।
এসআইআর ও এসএসআরের তফাত
এসআইআর হল ভোটার তালিকা নতুন ভাবে তৈরি করা। এসআইআর-এ ভোটার তালিকার তথ্য বিএলওরা যাচাই করেন। তারপর সেই তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয় খসড়া ভোটার তালিকা। এরপর দাবি ও আপত্তির বিষয়টি পর্যালোচনা করা। অন্যদিকে, এসএসআর-এ বর্তমান ভোটার তালিকায় থাকা তথ্য যাচাই করা হয়। কোনও সমস্যা থাকলে তা পরে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। এসআইআর-এ বিচার করা হয়েছে ২০০২ ও ২০০৪ সালের ভোটার তালিকা। অন্যদিকে, এসএশআর-এ যাচাই করা হবে বর্তমান ভোটার তালিকা।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)