'দেশকে আরও সমৃদ্ধ করতে একসঙ্গে কাজ করতে হবে', দীপাবলিতে দেশবাসীর জন্য আরও কী কামনা করলেন প্রধানমন্ত্রী?
Diwali 2026: অযোধ্যার সরযূ নদীর তীরে ৫৬টি ঘাট জুড়ে প্রদীপ প্রজ্বলন অনুষ্ঠানে যোগ দেন পড়য়া ও স্বেচ্ছাসেবকরা। আয়োজকরা এবার ৩০ লাখ প্রদীপ জ্বালানোর লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছিলেন
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর জয়, অশুভর বিরুদ্ধে শুভর জয়। উত্তর ভারত তৈরি করতে গেলে দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। দীপাবলির আগে দেশবাসীকে এভাবেই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পঞ্চাশ সেকেন্ডের একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে দেশবাসীর উন্নতি, সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করলেন নরেন্দ্র মোদী।
মাথায় টীকা, ভারতের ঐতিহ্যবাসী পোশাকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ঘরে ঘরে দীপ জ্বলে উঠেছে। এর অর্থ অন্ধকারকে দূরে সরিয়ে আলোর পথযাত্রী ভারতবাসী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্যান্য বছরের মতো এবারও তিনি সেনাদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করবেন। তিনি বলেন, আপনাদের মতো আমিও অত্যন্ত উত্সাহের সঙ্গে দীপাবলি পালন করব। তবে তিনি স্পষ্ট করেননি কোথায় তিনি সেনাদের সঙ্গে দীপাবলির উদযাপনে থাকবেন।
দীপাবলি উপলক্ষ্যে কেন্দ্র সরকারের জন সম্পর্ক পোর্টালে এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীপাবলি হল ভারতের চিরাচরিত ঐতিহ্যকে পালন করা। পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে বন্ধন আরও সুদৃড় করা। কামনা করি এই দীপাবলি প্রতিটি ঘরের সুখ শান্তি আরও বাড়িয়ে দিক। মানুষের মধ্যে সৌভ্রাতৃত্ব গড়ে উঠুক, মানুষের মধ্য সমৃদ্ধি আসুক। আমরা সবাই যেন দয়ার বাণীকে ছড়িয়ে দিতে পারি, এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য একসঙ্গে লড়াই করতে পারি।
ভগবান রামের বনবাস কাটিয়ে অযোধ্যায় ফিরে আসার উজ্জাপন হিসেবে শনিবার উত্তরপ্রদেশ পর্যটন ও সংস্কৃতি বিভাগের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য 'শোভাযাত্রা' বের করা হয়েছিল। সাকেত কলেজ থেকে শুরু হয়ে রামকথা পার্কে গিয়ে শেষ হয় শোভাযাত্রাটি। এতে রামচরিতমানস-এর বিভিন্ন পর্ব এবং কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প তুলে ধরে ২১টি সুসজ্জিত সুদৃশ্য ট্যাবলো রাখা হয়েছিল। রাজ্যের পর্যটন ও সংস্কৃতি মন্ত্রী জয়বীর সিং অনুষ্ঠানের আগে জানান, আগের সব দীপোৎসবের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে এবারের উত্সব।
অযোধ্যার সরযূ নদীর তীরে ৫৬টি ঘাট জুড়ে প্রদীপ প্রজ্বলন অনুষ্ঠানে যোগ দেন পড়য়া ও স্বেচ্ছাসেবকরা। আয়োজকরা এবার ৩০ লাখ প্রদীপ জ্বালানোর লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছিলেন। পর্যটন বিভাগের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব অমৃত অভিজাত জানান, সর্বসাধারণের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি আগের গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়াই ছিল এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
হোটেলগুলো সম্পূর্ণ বুকড হয়ে গিয়েছে। মহারাষ্ট্র, গুজরাট ও বিহার সহ সারা দেশ থেকে দর্শনার্থীরা এসে পৌঁছেছে অযোধ্যায়। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে ২,১০০টি লেজারের ব্যবস্থা ছিল।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X, Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)