SOCIAL MEDIA

Newsletter

PARTNER SITES
Select Language Select State

যন্তর মন্তরে সিজেপি বিক্ষোভের আগেই যেন নিশ্ছিদ্র দুর্গ দিল্লি: ২৩ হাজার পুলিস, ফেস রিকগনিশন মেশিন আর AI ড্রোন নজরদারি: অবরুদ্ধ রাজধানী

CJP Protest in Jantar Mantar: তবে দিল্লি পুলিসের দাবি, খুব কম সময়ের নোটিসে (Late Intimation) আবেদন করা এবং অতীতের নিয়ম না মানার কারণে এই কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়নি।

Reported By Nabanita Sarkar Written By Nabanita Sarkar
Published: Oct 09, 2026, 03:56 PM IST | Updated: Oct 09, 2026, 04:31 PM IST
Image Credit: সিজেপি বিক্ষোভের আগে দিল্লি যেন দুর্গ
Join

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা সিইসি (CEC - Chief Election Commissioner) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে ডাকা ‘সিজেপি’ (Cockroach Janta Party - CJP)-র বিরাট বিক্ষোভ কর্মসূচি। আর তাকে ঘিরেই প্রায় রণক্ষেত্রের প্রস্তুতি দেশের রাজধানীতে। 
অনুমতি খারিজ হওয়া সত্ত্বেও আন্দোলনকারীরা জমায়েত করতে পারেন-- এমন আশঙ্কায় গোটা নিউদিল্লি এলাকা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়ে (High-Security) প্রায় ২৩,০০০ পুলিস ও আধা-সামরিক বাহিনী (CAPF), সর্বাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত ক্যামেরা (AI camera and drone) এবং নজিরবিহীন নজরদারিতে এখন তটস্থ রাজধানী। নজরদারির কেন্দ্রবিন্দুতে এআই ও 'ফেসিয়াল রিকগনিশন'। এবারের নিরাপত্তা ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার অত্যাধুনিক ‘ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম’ বা এফআরএস (FRS - Facial Recognition System)।

গত জুলাই মাসে সিজেপি-র ডাকা আন্দোলনের তথ্য ঘেঁটে পুলিস ইতোমধ্যেই প্রায় ২,৮০০ সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করেছে, যাদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই বিভিন্ন অপরাধমূলক রেকর্ড রয়েছে।

নিরাপত্তায় কী করা হয়েছে? 

নিউদিল্লির প্রতিটি প্রবেশপথে সিসিটিভি ক্যামেরায় এই এফআরএস প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। সন্দেহভাজনদের কেউ যন্তর মন্তর বা নির্বাচন কমিশন অফিসের দিকে আসার চেষ্টা করলেই সিস্টেমে তৎক্ষণাৎ স্বয়ংক্রিয় লাল সংকেত বা রেড অ্যালার্ট (Automated Red Alert) জ্বলে উঠবে। এর পাশাপাশি মোতায়েন পুলিস কর্মীদের গায়ে লাগানো হয়েছে ১৫০টিরও বেশি 'বডি-ওর্ন ক্যামেরা' (Body-worn Cameras), যাতে কোনও সংঘাত ঘটলে তার লাইভ ভিডিয়ো রেকর্ড রাখা যায়।  

পিজি, মেট্রো, বাস ও হোটেল বুকিংয়ে কড়া 
 

স্ক্যানিংআন্দোলনকারীদের জমায়েত রুখতে প্রশাসনিক প্রস্তুতি ছড়িয়ে পড়েছে সাধারণ নাগরিক জীবনেও:  

হোস্টেল ও পিজি (PG) মালিকদের সতর্কবার্তা:

শহরের কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং হস্টেলের মালিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা এই বিক্ষোভে অংশ না নেন।   
 

লজিস্টিকস ও পরিবহন নজরদারি:

দিল্লি অভিমুখে আসা চার্টার্ড বাস, ট্রেনের টিকিট এবং এমনকি হোটেল বা ওয়ো (OYO) রুম বুকিংয়ের উপরও বাড়ানো হয়েছে কড়া গোয়েন্দা নজরদারি।

কে বা কারা একসঙ্গে একাধিক গাড়ি বুকিং করছে, তা তদারকি করা হচ্ছে।  

সীমান্তে ব্যারিকেড ও ড্রাই ডে:

উত্তরপ্রদেশ এবং রাজস্থান সীমান্ত দিয়ে যাতে আন্দোলনকারীদের কোনও দল দিল্লিতে প্রবেশ করতে না পারে, তার জন্য শাহদারা ও পূর্ব সীমানায় একাধিক ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ৯ ও ১০ অক্টোবর পুরো দিল্লিতে মদের দোকান বন্ধ (Dry Day) রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কেন এই বিক্ষোভ এবং অনুমতি বাতিলের সিদ্ধান্ত?

নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম ও ভোটার তালিকা যাচাই সংক্রান্ত নানা সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছিল। তবে দিল্লি পুলিসের দাবি, খুব কম সময়ের নোটিসে (Late Intimation) আবেদন করা এবং অতীতের নিয়ম না মানার কারণে এই কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়নি। তবুও যদি হাজার হাজার বিক্ষোভকারী জমায়েত হয়ে ইচ্ছে করে গ্রেফতার হওয়ার করার চেষ্টা করেন, তাদের আটকাতে একাধিক স্টেডিয়ামকে অস্থায়ী আটক কেন্দ্র (Temporary Detention Centers)করার বন্দোবস্তও সেরে রেখেছে প্রশাসন।

আরও পড়ুন: রাজনীতির বিগ ব্রেক: একমঞ্চে জোট বাঁধছে সিপিএম-তৃণমূল? জ্ঞানেশের অপসারণে এবার কলকাতায় বড় আন্দোলনের সলতে পাকাচ্ছে CJP

আরও পড়ুন: জ্ঞানেশকাণ্ডে উত্তাল দেশ: বেঙ্গালুরুতে অভিনেতা প্রকাশ রাজ-ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীদের নিয়ে ককরোচদের নজিরবিহীন প্রতিবাদ বিক্ষোভে বড় বার্তা

Add Zee News as a Preferred Source
TAGS:

About the Author

সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। সংবাদ মাধ্যমের পাশাপাশি রাজনৈতিক পরামর্শদাতাদাতা হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা। আইন-আদালত থেকে বিনোদন, দেশ থেকে দুনিয়ার হরেক খবরে শেখার চেষ্টা অবিরাম...  

ZEENEWS TRENDING STORIES