রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়: '২০২১ থেকে ২০২৬, অনেক কিছুই তো ঘটেছে'। দুর্গাপুজোর পাস কেলেঙ্কারিতে ইন্দ্রনীল সেনের গ্রেফতারির পর বোমা ফাটালেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁ স্পষ্ট কথা, 'সেখানে তো পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে একা দায়ী করলে হবে না। আরও অনেকে পরপর আছে'।
ঋত শিবিরে নাম লেখাননি। কল্য়াণ কিন্তু এখনও মমতাপন্থী। দলের দুঃসময়ের সৈনিক। সেই কল্যাণ বলছেন, 'দিদির আশীর্বাদে ববি হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, ইন্দ্রনীল সেন, এরা সবাই নায়ক। আমরা তো ভিলেন হয়েই রয়ে গিয়েছি। একটা রাজনৈতিক দলের ৫ থেকে ১০ বছরের বেশি থাকা ক্ষমতায় উচিত নয়। অতি ক্ষমতাই দুর্নীতির কারণ'।
কল্যাণের সাফ কথা, 'অভিযোগটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা তো সততার সঙ্গে রাজনীতির করেছি। আমাদের লক্ষ লক্ষ তৃণমূল কর্মী, তাদের কাছে বেদনাদায়ক। এবার কেউ রাজনীতি করতে আসেনি, এবার ব্যবসা করতে এসেছিল। এই রকম অভিযোগ আসবে কেন, ভাবতে হবে। এইসব লোকের কীর্তিকলাপের জন্য দল দুর্বল হচ্ছে'।
'চার তারিখে আগে এই কথাগুলি বলেননি কেন'? পালটা প্রশ্ন তুলেছেন ঋতশিবিরের নেতা ঋজু দত্ত। তিনি বলেন, 'কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক বড় বড় কথা বলছেন! কল্য়াণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় তো মমতা বন্দ্যোাপাধ্যায় একটা ঘুঁটি। যখন কার্নিভালের নাটক হত, কল্য়াণ বন্দ্যোপাধ্যায় তো স্টেজে উঠতে পারত না। সেখানে তো নায়ক-নায়িকা, গায়ক-গায়িকারা ভর্তি থাকত, তখন কল্য়াণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিবাদ করেননি কেন'?
ঋজুর আরও বক্তব্য, 'এখন এসব কথা বলার মানে কি! আর কদিন দাঁড়িয়ে যান নির্বাচন কমিশনের ফয়শালাটা আসতে দিন। অ্যারবিট্রেটর বসিয়ে ৩৬ কোটি টাকা তুলেছেন। সেখানে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে পেমেন্ট করা হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টে কেস লড়ার জন্য। যেদিন পেমেন্টটা বন্ধ হয়ে যাবে, সেদিন আমরা দেখব কল্য়াণ বন্দ্য়োপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য কত কথা বলে'!