SOCIAL MEDIA

Newsletter

PARTNER SITES
Select Language Select State

SBI অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও ৭৫০০০, টাকা চলে গেল গুজরাতে, অথৈ জলে চন্দ্রকোনার যুবক

Bank Fraud: মোবাইল আচমকা হয়ে গেল অকেজো। ফোন বন্ধ করেও রেহাই নেই। অ্য়াকাউন্ট থেকে উধাও বিপুল টাকা

Reported By Sekender Abu Zafar Written By Sekender Abu Zafar
Published: Oct 26, 2026, 01:08 PM IST | Updated: Oct 26, 2026, 01:12 PM IST
Image Credit: ব্যাংক জালিয়াতি
Join

চম্পক দত্ত: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা ১ নম্বর ব্লকের খড়কপুর গ্রামের ঘটনা। প্রতারণার শিকার জয়ন্ত পলমাল। পেশায় কৃষক। গ্রামে তাঁর একটি ছোট কৃষি ভাণ্ডারের দোকান রয়েছে। স্ত্রীর গহনা ছাড়ানোর জন্য ৭৫০০০ টাকা রাখা ছিল ব্যাংকে। সেই টাকা উধাও।

জয়ন্তর দাবি, গত ২৪ তারিখ শনিবার রাতে হঠাৎই তাঁর মোবাইলে 'ইনস্ট্যান্ট আপডেট' নোটিফিকেশন আসতে থাকে। প্রথমে কিছু বুঝতে না পেরে মোবাইলটি সুইচ অফ করে দেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন তাঁর SBI অ্যাকাউন্ট থেকে সমস্ত টাকা উধাও। অ্যাকাউন্টে ছিল ৭৫ হাজার টাকা।

ডিটেইলস চেক করে জয়ন্ত দেখেন, গুজরাটের বাসিন্দা শচীন কুমার নামে এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে গিয়েছে ৫৩ হাজার টাকা, মহম্মদ সালেম নামে এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে গিয়েছে ২০ হাজার টাকা এবং আরও দু'জনের অ্যাকাউন্টে গিয়েছে ২ হাজার টাকা। এছাড়াও বেশ কয়েকজনের অ্যাকাউন্টে ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর চেষ্টা হলেও 'ফেলড' দেখাচ্ছে। সম্পূর্ণভাবে ডিজিটাল প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে দাবি জয়ন্তের। ঘটনার পর তিনি পুলিশ, সাইবার ক্রাইম বিভাগ এবং ব্যাঙ্কে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এই ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকার মানুষজন। প্রশ্ন উঠছে, সাধারণ মানুষ ব্যাঙ্কে গচ্ছিত টাকা রাখলেও তা কিভাবে অন্যের অ্যাকাউন্টে চলে যাচ্ছে? ভবিষ্যৎ কোথায়? এখন প্রশাসনের দিকেই তাকিয়ে জয়ন্ত সহ গোটা এলাকাবাসী।

আরও পড়ুন-সব ওয়ার্ডই পাল্টাবে, কর্পোরেশন গড়বে বিজেপি! বিরোধীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে হুংকার দিলীপ ঘোষের

জয়ন্ত পলমাল বলেন, ক্ষীরপাই হালদার দিঘীর যে স্টেটব্যাংক আছে সেখানে আমার অ্যাকাউন্টে ৭৫০০০ টাকা ছিল। স্ত্রীর গহনা বন্ধক রয়েছে। সেটা ছাড়াব বলে ধান বিক্রি করে টাকা রেখেছিলাম। আরও কিছু ধান বিক্রি করে মোট ১ লাখ ৯০ হাজার টাকার সোনা ছাড়াব বলে ঠিক করেছিলাম। হঠাত্ ২৪ অক্টোবর রাত দশটার সময় আমার ফোনে একটি মেসেজ এল, লেখা হয়েছে ইনস্টান্ট আপডেট। আমার সন্দেহ হল। আমি ফোনটা বন্ধ করার চেষ্টা করলাম, রিস্টাট করার চেষ্টা করলাম। কিছুই করা য়াচ্ছিল না। শেষপর্যন্ত  চার্জ না থাকায় এমনিতেই ফোনটা বন্ধ হয়ে গেল। রাতে ফোনটা চার্জে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। সকালে ফোন খুললাম। একজনকে পয়সা পাঠানোর কথা ছিল। সেটা করতে গিয়েই দেখলাম দেখাচ্ছে ইনসাফিসিয়েন্ট ব্যালান্স। শেষপর্যনব্ত গুগল পে-র হিস্ট্রি চেক করে দেখলাম দুটি অজানা নম্বরে টারা চলে গিয়েছে। গুজরাতের শচীন কুমার নামে একজনের কাছে টাকা গিয়েছে। তাকে ফোন করলান। সে বলল, জানি না। তার পরে ফোন করলাম। ফেন সুইচড অফ। আরও ২ জনের নাম পেয়েছি। তাদের কথা অভিযোগপত্রে লিখেছি। এখন ব্যাংকে সিকিউরিটি থাকছে কোথায়! 

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X, Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)

Add Zee News as a Preferred Source
TAGS:

About the Author

প্রিন্ট মিডিয়া দিয়ে শুরু। বর্তমানে ডিজিটালে। সবেমিলিয়ে প্রায় দু'দশক। রাজনীতি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ক্রাইম, ক্রীড়া, ইতিহাস, ফিচার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ লেখালেখিতে বিচরণ।

ZEENEWS TRENDING STORIES