১৫০০ টাকার পর এবার আরও বড় চমক, আরও বাড়ছে বার্ধক্য ভাতা? বড় সুযোগ-- নতুন আবেদনের নিয়ম জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
Bardhokyo Bhata: ১০০০ থেকে ১৫০০ হওয়ার পর এবার বার্ধক্য ভাতা বেড়ে হতে পারে ২০০০ টাকা। ডিসেম্বরের সেবা সেতু ক্যাম্প থেকে কীভাবে নতুন আবেদন করবেন, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: রাজ্যের প্রবীণ বা বয়স্ক নাগরিকদের জন্য বড় খবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বর্তমানে বার্ধক্য ভাতা (Old Age Pension) মাসিক ১০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০০ টাকা করা হয়েছে আগেই। তবে শনিবার তিনি স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন, প্রবীণদের সুবিধার্থে আগামী রাজ্য বাজেটে (State Budget) এই ভাতার পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে। প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলের অনুমান, আগামী অর্থবর্ষ থেকেই এই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়াতে পারে মাসিক ২০০০ টাকায়।
কী ভাবে মিলবে সুবিধা? আবেদনের উপায় কী?
যাঁরা এখনও এই সরকারি সুবিধার আওতায় আসেননি, তাঁদের জন্য ডিসেম্বরে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার:
- সেবা সেতু ক্যাম্প (Seba Setu Camp): আগামী ডিসেম্বর মাসে রাজ্যজুড়ে প্রতিটি ব্লকে এবং পুরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে টানা ৩ দিনের বিশেষ সেবা সেতু শিবির বসবে।
- ফর্ম সংগ্রহ ও জমা: এই ক্যাম্প থেকেই সরাসরি বার্ধক্য ভাতার অফিশিয়াল আবেদনপত্র (Application Form) সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় নথি সহ জমা দেওয়া যাবে।
- যোগ্যতার যাচাই: প্রাথমিক নথি ও যোগ্যতার মাপকাঠি (Eligibility Criteria) যাচাইয়ের পর যোগ্য আবেদনকারীদের নামে ভাতা অনুমোদন করা হবে। নতুন উপভোক্তারাও আপাতত ১৫০০ টাকা করেই মাসিক সাহায্য পাবেন।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে অন্নপূর্ণা যোজনা
পূর্বে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলাদের ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ দেওয়া হত, এবং ৬০ বছর পেরোলে তাঁদের সরাসরি বার্ধক্য ভাতার তালিকায় স্থানান্তরিত করার নিয়ম ছিল। ভোটের আগে সেই ভাতার অঙ্ক বৃদ্ধি পেলেও সাধারণ বার্ধক্য ভাতার টাকা ১০০০ টাকাই রয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে সরকার পরিবর্তনের পর পূর্ববর্তী সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলো (Social Welfare Schemes) চালু রাখার পাশাপাশি পরিমার্জন করা হয়। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের নাম বদলে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ করে যেমন ৩০০০ টাকা দেওয়া হচ্ছে, তেমনই বার্ধক্য ভাতাও বাড়িয়ে ১৫০০ টাকা করা হয়েছে।
পরবর্তী বাজেটে নতুন চমকের ইঙ্গিত
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রবীণদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতেই ভাতার অঙ্ক পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। আগামী বাজেটে আর্থিক বরাদ্দ বাড়লে সেই বর্ধিত টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT - Direct Benefit Transfer) মারফত পৌঁছে যাবে।