শুভপম সাহা: সপ্তাহের প্রথম দিনেই চলতি মরসুমে, মোহনবাগানের উত্তেজনাহীন প্রথম হোম ম্যাচ| সোম সন্ধ্যায় প্রায় ফাঁকা যুবভারতীতেই সবুজ-মেরুন| প্রতিপক্ষ দক্ষিণ ভারতের চেন্নাইয়িন এফসি!
ম্যাচের আগে পয়েন্ট টেবিলে মোহনবাগান ছয়ে এবং তাদের প্রতিপক্ষ আরও পাঁচ ধাপ নীচে ১১ নম্বরে ছিল| ক্লিফোর্ড মিরান্ডার টিমের চেয়ে ধারে ও ভারে অনেকটাই এগিয়ে প্যানোসের শিষ্যরা |
লিগের প্রথম ম্যাচে মোহনবাগান নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড এফসি-র কাছে ১-০ হেরেছিল| এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে মোহনবাগান ২-১ এসসি দিল্লিকে হারিয়ে জয়ের মুখ দেখেছিল|
মনে করা হয়েছিল ঘরের মাঠে চেন্নাইয়িনকে হারিয়ে মোহনবাগান জয়ের সরণিতেই থাকবে|
প্রথমার্ধে মোহনবাগানের খেলা দেখে মনে হচ্ছিল না যে, তার তিন পয়েন্ট তুলতে মরিয়া| দেখতে গেলে দুই দলই অত্যন্ত ম্যাড়ম্যাড়ে ফুটবল উপহার দিল|
এক-দু'বার আশার আলো জেগেছিল, সুযোগ নষ্টও ছিল| সব মিলিয়ে যে ফুটবল একেবারেই চোখের জন্য আরামদায়ক নয়| একেবারে ঘুমপাড়ানি ফুটবল যেমনটা হয়ে থাকে!
মোহনবাগানের খেলায় না ছিল আপফ্রন্টের আগ্রাসন, না কোনও দুর্দান্ত আক্রমণ! না পাসিং ফুটবল| কোনও রসদই ছিল না সেঅর্থে| নিজেদের মধ্যে তালমিলেরও বেশ অভাব!
বিরতির পর ফিরে এসে মোহনবাগান নিজেদের কিছুটা শুধরে নিয়েছিল| বেশ কয়েকবার ভালো আক্রমণের সুযোগও তৈরি করেছিল| ৮৫ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর ক্রস মনবীর সিংয়ের বুকে লেগে সোজা গোলে ঢুকে যায়|
নির্ধারিত সময়ের পর আরও ছ'মিনিট সময় যোগ করা হয়েছিল| তবে স্কোরলাইন একই থেকে যায়| তুল্যমূল্য বিচারে এদিন চেন্নাইয়িন অনেক ভালো ফুটবল
খেলল মোহনবাগানের তুলনায়| দ্বিতীয়ার্ধে নিকোলা স্ট্যানকোভিচের শট বারে লেগে না ফিরলে স্কোরলাইন অন্যরকম হতেই পারত| মোহনবাগান এরপর ব্যাক-টু-ব্যাক হোম ম্যাচ খেলবে| দল জিতলেও অনেক কিছু নিয়েই ভাবতে হবে কোচকে...
মোহনবাগান প্রথম একাদশ: বিশাল কাইথ, রাহুল ভেকে, মেহতাব সিং, সামির জেলকোভিচ, লালিয়ানজুয়ালা ছাংতে, মনবীর সিং, লি হ্যারি আরউইন, আলবার্তো রদ্রিগেজ, দীপক টাংরি, টেকচাম অভিষেক সিং, দেজান দ্রাজিচ
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, বিজনেস, লাইফস্টাইল, কেরিয়ার, ইউটিলিটির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের Facebook, Whatsapp Channel, X, Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)